kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

ম্যাচ রিপোর্ট

দারুণ শুরু ওমানের

পিএনজি অধিনায়ক আসাদ ৫৬ রান করে ফেরার সময় দলের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০২। তিনি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়ে গেলেও পরের চার ব্যাটসম্যান জিশান মাকসুদের স্পিন মায়াজালে আত্মাহুতি দিলে পিএনজিকে থামতে হয় ৯ উইকেটে ১২৯ রানে।

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দারুণ শুরু ওমানের

৪ উইকেট নিয়ে ওমানের জয়ের নায়ক জিশান মাকসুদ।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জিশান মাকসুদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ওমান দারুণ শুরু করেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। পাপুয়া নিউ গিনি (১২৯/৯) খুব খারাপ ব্যাটিং করেনি, কিন্তু স্বাগতিকরা একদম হেসেখেলে লক্ষ্যে পৌঁছে ১০ উইকেটে বড় হারের লজ্জায় ফেলেছে নবাগতদের।

টসে হেরে পাপুয়া নিউ গিনি ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে। রানের খাতা খোলার আগেই দুই ওপেনারকে বিদায় করেন কলিমুল্লাহ ও বিলাল খান। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে টিকে থাকার লড়াই শুরু করেন আসাদ ও চার্লস আমিনি। প্রতিরোধের লড়াই একসময় স্বপ্ন দেখাতে শুরু করে। কিন্তু দ্বাদশ ওভারে চার্লসের রান আউট এবং পরের ওভারে আসাদ ভালা ফিরে গেলে তাদের স্বপ্নটাও ছোট হয়ে আসে। পিএনজি অধিনায়ক আসাদ তিন ছক্কা ও চার চারে ৫৬ রান করে ফেরার সময় দলের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে ১০২। তিনি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়ে গেলেও পরের চার ব্যাটসম্যান জিশান মাকসুদের স্পিন মায়াজালে আত্মাহুতি দিলে পিএনজিকে থামতে হয় ৯ উইকেটে ১২৯ রানে। এই ওমানি বাঁহাতি স্পিনার ১৬তম ওভারে তিনজনকে ফিরিয়ে দিয়ে তাদের কাজটা কঠিন করে দেন। ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মাকসুদ বলছেন তাঁর লাইন-লেংথ বজায় রেখে বোলিংয়ের কথা, ‘কোনো বাজে বল না দিয়ে আমি আঁটসাঁট বোলিং করার চেষ্টা করেছি। আমরা জানি উইকেট খুব ভালো, তাই সহজে যেন তারা বাউন্ডারি না পায় সেই চেষ্টা করেছি। উইকেট নেওয়ায় তাদের স্কোরটা বড় হয়নি, নইলে তারা একসময় ভালো ব্যাটিং করছিল।’

এর পরও শেষ দিকে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়াটা মানতে পারছেন না পিএনজি অধিনায়ক আসাদ ভালা, ‘লড়াই করে আমরা একটা ভালো স্কোর দেওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলাম, কিন্তু শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে এভাবে ধস নামাটা খুব হতাশাজনক।’ আমিরাত মাঠের এই উইকেট কতটা ব্যাটিং সহায়ক সেটা দেখিয়েছেন ওমানের দুই ওপেনার। দুজনের ফিফটিতে ৬.২ ওভার হাতে রেখেই ওমান পৌঁছে যায় জয়ের লক্ষ্যে (১৩১/০)। এক ছক্কা ও পাঁচ চারে আকিব ইলিয়াসের ৪৩ বলে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংসের চেয়ে ধ্বংসাত্মক ছিল জ্যোতিন্দর সিংয়ের ইনিংসটি। কোনো বোলারকে থিতু হতে না দিয়ে এই ওপেনার ৪২ বলে ৪ ছক্কা ও ৭ চারে ৭৩ রান করে অপরাজিত।



সাতদিনের সেরা