kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

এক গ্রাম এক দেশ

১৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক গ্রাম এক দেশ

আবেগে ভাসছে পাপুয়া নিউ গিনি। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে প্রথম পদচারণ এবারই। স্বাগতিক ওমানের সঙ্গে উদ্বোধনী ম্যাচের দিন শুধু অধিনায়ক আসাদ ভালার দলই নয়, জাতীয় সংগীত গাইতে মুখিয়ে পুরো দেশের মানুষ। রাজধানী পোর্ট মোরেসবের পাশের হানুয়াবাডা গ্রামের মানুষের উচ্ছ্বাসটা একটু বেশিই। কারণ জাতীয় দলের ১৫ ক্রিকেটারের প্রায় সবারই কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ততা আছে এই গ্রামের সঙ্গে। বেশির ভাগের জন্মই হানুয়াবাডায়। যাঁরা অন্য গ্রাম বা শহরের তাঁরাও ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে উঠেছেন হানুয়াবাডায়। মানে একটা গ্রামই পুরো দেশটির ক্রিকেটের প্রতিচ্ছবি। ক্রিকেট পাপুয়া নিউ গিনির প্রধান হেলেন মাকুন্দো জানালেন, ‘১৯০০ সালে ব্রিটিশরা হানুয়াবাডায় প্রচলন করে ক্রিকেটের। তখন থেকে ক্রিকেটে সমৃদ্ধ গ্রামটি।’

করোনার সময় কঠিন লকডাউনে খেলোয়াড়দের অনুশীলন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অর্থসংকটও বড় বাধা দেশটিতে ক্রিকেটের প্রসারে। এর পরও আশাবাদী মাকুন্দো, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পাশাপাশি আইসিসির অর্থায়নে দেশজুড়ে ৪৮টি উইকেট তৈরি করেছি আমরা। নিয়মিত বিশ্বকাপ খেললে আইসিসি থেকে বড় অঙ্কের টাকা পেতে পারি, যা সাহায্য করবে আমাদের ক্রিকেটকে।’

এর আগেও দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দুয়ারে পৌঁছেছিল পাপুয়া নিউ গিনি। প্লে-অফে বুক ভাঙে দুইবারই। এবার বাছাই পর্বে ছয় ম্যাচের পাঁচটি জিতে ওমানের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলেছে তারা। অধিনায়ক আসিফ ভালা গর্বিত এ জন্য, ‘পুরো দলের জন্য গর্বের ব্যাপার বিশ্বকাপ খেলাটা। অনেক সময় লাগল এখানে পৌঁছাতে। গত দুইবার খুব কাছে গিয়েও পারিনি। আর কয়েক দিন পরই খেলব বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ। ছেলেরা সবাই মুখিয়ে আছে। আত্মবিশ্বাসীও ওরা।’

গ্রুপ ‘বি’র সবচেয়ে শক্তিশালী দল বাংলাদেশ। স্বাগতিক হিসেবে ওমানও ফেভারিট সুপার টুয়েলভে। বাস্তবতাটা মেনে নিয়েই আসিফ ভালা জানাচ্ছেন, ‘গতবারও ওমানকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। খেলেছে পরের রাউন্ডে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ওরা এসেছে বিশ্বকাপে। ওমান, স্কটল্যান্ডকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে আমরা নিজেদের খেলাটাই খেলব।’ পিটিআই



সাতদিনের সেরা