kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

মালদ্বীপের সামনে ভারত বাধা

১৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালদ্বীপ থেকে প্রতিনিধি : সাফে ভারতকে না পেরিয়ে এখনো পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি কেউ। যে একবার ভারত ফাইনালে খেলেনি, সেই ২০০৩ সালেও সেমিফাইনালে তাদের হারিয়ে আসতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। আজ মালদ্বীপের ফাইনালে ওঠার পথে সেই ভারত বাধাকে তাই সহজভাবেই নিচ্ছেন কোচ আলী সুজেইন, ‘ভারত এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। সাফে কিছু করে দেখাতে হলে তাদের না পেরিয়ে উপায় নেই। গত সবগুলো আসরেও তা-ই হয়েছে। এই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার চ্যালেঞ্জটা নিতে তাই আমার দল তৈরি।’

১৩টি সাফের মধ্যে এই প্রথমবার ঘরের মাঠে ফাইনাল খেলার সুযোগ মালদ্বীপের। ২০০৮ সাফের ফাইনাল হয়েছিল কলম্বোয়, মালেতে হয়েছিল সেমিফাইনাল। খেলাধুলায় শ্রীলঙ্কার ঐতিহ্য বহু পুরনো। ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস, সাঁতার, গলফে তারা এই অঞ্চলের সমীহ-জাগানো দেশ। কিন্তু মালদ্বীপের এই এক ফুটবল। খেলা বলতে এটাকেই বোঝে সবাই। বড় মাঠ হলে ফুটবল, নয়তো ফুটসাল। এই সাফ নিয়ে তাই মালেতে উন্মাদনার শেষ নেই। ভারত-মালদ্বীপ ম্যাচের টিকিট কাটতে সারা রাত লাইনে অপেক্ষা করতে হয়েছে সমর্থকদের। কারণ স্টেডিয়াম ছোট, চাইলেই সবাইকে গ্যালারিতে জায়গা দেওয়া যাবে না। টিকিট  পাওয়া নিয়ে একটা অনিশ্চয়তা তাই ছিল স্থানীয়দের মধ্যে।

ভারত সাফের সব সময়ের ফেভারিট দল, আর ঘরের মাঠে মালদ্বীপও শেষ দুটি ম্যাচ খেলেছে প্রত্যাশা ছুঁয়ে। উপভোগ্য এক লড়াই-ই হওয়ার কথা ম্যাচে। ফাইনালে যেতে যদিও ড্র হলেই চলে স্বাগতিকদের, কিন্তু ভারতকে জিততেই হবে। ভারত টুর্নামেন্টটা বাজেভাবে শুরু করে নেপালের বিপক্ষে খাদের কিনার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মালদ্বীপ ফর্মে থাকলেও তাই এই ভারতকে নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। ওদিকে ইগর স্তিমাচের ভাবনায় হার না-মানা মনোভাবে আরো একবার সামনের বাধাটা পেরিয়ে যাওয়ার। নেপালের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত লড়াই করা দলটির এই ম্যাচে অবশ্য ক্লান্তি ভর করবে কি না সেটা নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায়, ‘এই দুই দিনে নেপাল ম্যাচের ধকল কাটানোর চেষ্টা করেছে দল। মালদ্বীপের বিপক্ষে তো আমাদের জয় ছাড়া বিকল্প নেই। তবে এক সুনীল নয়, দায়িত্বটা নিতে হবে সবাইকেই।’ এই ম্যাচে এক দিকে সুনীল ছেত্রী আরেক দিকে আলী আশফাক। এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা দুই ফুটবলারের লড়াইও আজ তাঁদের শেষ সময়ে। শেষ হাসিটা কার মুখে থাকে সেটিই দেখার অপেক্ষা।



সাতদিনের সেরা