kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

অধিনায়কের প্রশংসাপত্রে সাকিব-মুস্তাফিজও

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৫ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অধিনায়কের প্রশংসাপত্রে সাকিব-মুস্তাফিজও

ছবি : মীর ফরিদ

রান তাড়ায় একের পর এক উইকেট পড়ছেই। বাংলাদেশ দলের ড্রেসিং রুমে তাই দুশ্চিন্তা আর অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়াই স্বাভাবিক। সেখান থেকে দলকে চিন্তামুক্ত আর স্বস্তি এনে দেওয়ার প্রশংসাপত্রও তাই পেলেন আফিফ হোসেন আর নুরুল হাসান। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহর কণ্ঠে তাঁদের নিয়ে উচ্ছ্বাস, ‘আফিফ ও সোহান যেভাবে খেলেছে, সেটি এককথায় দারুণ ছিল। দুজনই শেষ পর্যন্ত খেলাটি নিয়ে গেছে। অনেক পরিণত ব্যাটিং করেছে।’

জয় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়ে গেলেও ম্যাচসেরা আফিফ আর নুরুলের ব্যাট ড্রেসিং রুমের পরিবেশে হিমেল হাওয়াও বইয়ে দিয়েছিল বলে জানালেন মাহমুদ, ‘কিছু উইকেট দ্রুত পড়ে যাওয়া ড্রেসিং রুমে দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু যেভাবে আফিফ ও সোহান খেলেছে, ওরা দুজনই আমাদের চাপ কমিয়েছে। ড্রেসিং রুমও ছিল স্বস্তিতে।’ ৩১ বলে অপরাজিত ৩৭ রানের অমূল্য এক ইনিংসে ম্যাচ জিতিয়ে আসা আফিফের মনেও ছিল ম্যাচ শেষ করে আসার দৃঢ় বিশ্বাস, ‘মাঠে নামার সময় রিয়াদ ভাইয়ের কাছ থেকে একটি বার্তাই ছিল যে যাওয়ার পর যেন দুই-তিন ওভার স্বাভাবিক খেলি। আমার পরিকল্পনা ছিল যেন শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারি এবং ম্যাচ শেষ করে আসতে পারি।’

পরিকল্পনা আর বাস্তবতা এক বিন্দুতে মেলার ক্ষেত্রে উইকেট বুঝে খেলার ব্যাপারটিও খুব কাজে দিয়েছে বলে মনে করেন আফিফ, ‘ব্যাটিংয়ে নামার পর চেষ্টা করেছি উইকেট বুঝে খেলতে। উইকেটের আচরণ কেমন, সেটি খেয়াল রেখে যেন উইকেট না দিয়ে থাকতে পারি। শেষ পর্যন্ত যদি খেলতে পারি, আমার বিশ্বাস ছিল, যে রানই দরকার হোক না কেন, আমি ভালোভাবে শেষ করতে পারব।’

ভালোভাবে শেষ করে আসতে পারায় ৪৪ বলে অবিচ্ছিন্ন ৫৬ রানের পার্টনারশিপে তাঁর সঙ্গী নুরুল হাসানকেও কৃতিত্ব দিতে ভুললেন না এই তরুণ, ‘সোহান ভাই খুব ভালো ব্যাট করেছেন। আমাদের পরিকল্পনা ছিল উইকেট না দেওয়ার। বল টু বল রান দরকার ছিল তখন। উইকেট না দিয়ে রান কিভাবে করা যায়, সেই চেষ্টাই করছিলাম। অন্য পাশ থেকে ভালো সমর্থন পাওয়ায় কোনো চাপই অনুভব করিনি।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই দারুণ অবদান রাখা আরো দুজনের কথাও ভুলে গেলেন না মাহমুদ উল্লাহ। প্রথম ম্যাচেই যেমন নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৪ রানে ১ উইকেট নেওয়া সাকিব আল হাসান খেলেছিলেন ২৩ বলে ৩৬ রানের ইনিংসও। কাল ২২ রানে ১ উইকেট নেওয়ার পর খেললেন ২৬ রানের ইনিংস। আর মুস্তাফিজুর রহমান তো দুই ম্যাচেই করলেন মিতব্যয়ী বোলিং। প্রথম ম্যাচে ১৬ রানে ধরেছেন ২ শিকার। কাল ৩ উইকেট নিতে খরচ মোটে ২৩ রান। দুই ম্যাচেই তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি আলাদা করে তাই দিতেই হলো মাহমুদকে, ‘আমাদের বোলাররা খুব ভালো করেছে। ওদের ১২১ রানে আটকে দিয়েছে। সাকিব ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে দেখিয়েছে যে দলের জন্য সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’ উপযোগী কন্ডিশনে নিজের সেরাটা মেলে ধরার জন্য মুস্তাফিজও পেলেন অধিনায়কের বাহবা, ‘এ ধরনের কন্ডিশনে সব সময় মুস্তাফিজের সেরাটা পাওয়া যায়। এমন কন্ডিশনে ও বেশ কার্যকর।’



সাতদিনের সেরা