kalerkantho

রবিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৮। ২৪ অক্টোবর ২০২১। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সোনালি প্রজন্মের সামনে নতুন ইতালি

২ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সোনালি প্রজন্মের সামনে নতুন ইতালি

এবার, নয়তো কখনো নয়! বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের মর্যাদার কোনো শিরোপা জয়ের বিশাল সুযোগ এটি। স্বপ্নপূরণের পথে আজ বড় বাধা ইতালি। চিরচেনা রক্ষণাত্মক ফুটবলের খোলস ছেড়ে রবার্তো মানচিনি বদলে দিয়েছেন পুরো দলকে। অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠা নতুন এই ইতালিকে আজ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে সামাল দিতে পারবে তো বেলজিয়াম?

কেভিন ডি ব্রুইন, রোমেলু লুকাকু, থিবো কর্তোয়া, ইয়ান ভারতোঙ্গেন, অ্যাক্সেল উইটসেল, টবি অল্ডারওয়াইরেল্ড, ড্রিস মের্টেনস, এডেন হ্যাজার্ড, টমাস ভারমালেনরা অনেক দিন খেলছেন একসঙ্গে। এই প্রজন্মের সেরা সাফল্য ২০১৬ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনাল ও ২০১৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলা। গত পাঁচ বছর ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বেলজিয়াম শীর্ষে তাঁদের দ্যুতিতেই। কিন্তু মর্যাদার টুর্নামেন্টে শিরোপা কোথায়?

ডি ব্রুইন, লুকাকু, কর্তোয়া আর হ্যাজার্ড আগামী ২০২২ বিশ্বকাপেও সেরা বাজি বেলজিয়ামের। কিন্তু অন্যদের বেলায় সেটা বলার উপায় নেই। উইটসেল, অল্ডারওয়াইরেল্ড, ভারতোঙ্গেন, মের্টেনসের বয়স ত্রিশ পেরিয়েছে। আগামী বিশ্বকাপে তাঁদের খেলার নিশ্চয়তা কম। এবারের ইউরোয় তাঁদের শিরোপা জেতার সেরা এবং সম্ভবত শেষ সুযোগও হয়ত। কোচ রবার্তো মার্তিনেসও আশাবাদী, ‘ইতালি প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ করতে চাইবে। তবে ওদের হারানোর সামর্থ্য আছে আমাদের।’ চোটের জন্য পর্তুগালের বিপক্ষে মাঠ ছেড়েছিলেন ডি ব্রুইন ও এডেন হ্যাজার্ড। আজ দুজনের ফিটনেস মাথাব্যথার কারণ বেলজিয়ামের। তবে রোমেলু লুকাকু ছন্দে থাকায় তাঁর সঙ্গে ইতালিয়ান রক্ষণের লড়াই গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।

২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলারই সুযোগ পায়নি। নিজেদের হারিয়ে ফেলা সেই দল রবার্তো মানচিনির হাত ধরে বদলে গেছে পুরোপুরি। জিতেছে টানা ১২ ম্যাচ, কেউ হারাতে পারেনি টানা ৩১ ম্যাচ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা সর্বোচ্চ ৩৫ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি অবশ্য ব্রাজিল ও স্পেনের। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ব্রাজিল আর ২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত স্পেন হারেনি ৩৫ ম্যাচ। ইউরোর ফাইনালে উঠলে ইতালি পৌঁছবে সেই কীর্তির খুব কাছে। তবে রেকর্ড নয়, আজ বেলজিয়ামকে ঘিরেই সব পরিকল্পনা কোচ রবার্তো মানচিনির, ‘আমার দলে রোনালদো, মেসির মতো বড় তারকা নেই। টিম স্পিরিটই সম্পদ এই দলের। সেই শক্তিতে কঠিন সব পরীক্ষা জিততে প্রস্তুত আমরা।’ ইএসপিএন

►     র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে বেলজিয়াম, ইতালি সাতে। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালকে শেষ ষোলোতে হারায় বেলজিয়াম। ইতালি হারায় অস্ট্রিয়াকে।

►     ১৯৬৮ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন ফাইনাল খেলেছে আরো দুইবার, ২০০০ ও ২০১২ সালে। বেলজিয়ামের সেরা সাফল্য ১৯৭২ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে তৃতীয় হওয়া।

►     এবারের আসরে ৫৬.২ শতাংশ বলের দখল রেখে লক্ষ্যে ২৩টি শট ছিল ইতালির। ৫৪.৩ শতাংশ বলের দখল রেখে খেলা বেলজিয়ামের লক্ষ্যে শট ছিল ১৬টি।



সাতদিনের সেরা