kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

দুর্দান্ত জয় জামালের

২৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্দান্ত জয় জামালের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কোচ খালেদ মাহমুদের অগ্নিমূর্তি দেখে অনুমান করা যায় ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে ফিরে দম ফেলতে পারেননি আবাহনীর বোলাররা। ১৭৪ রান করেও হার, তা-ও মিরপুরের উইকেটে! গতকাল দুপুরের ম্যাচে শেখ জামাল ধানমণ্ডির ব্যাটসম্যানদের কাছে এমনই ঠ্যাঙানি খেয়েছেন আবাহনীর বোলাররা। আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, ৯ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জিতেছে শেখ জামাল। সকালের ম্যাচে মোহামেডানের ১৬৫ রানের স্বস্তিও ৩ উইকেটের জয়ে কেড়ে নেয় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।  রাতের ম্যাচে প্রাইম ব্যাংককে ১২৬ রানে গুটিয়ে দেওয়া প্রাইম দোলেশ্বর জিতেছে ৫ উইকেটে।

মিরপুরে ১৩০-এর বেশি করলেও লড়াই করা গেছে এত দিন। তাই লিটন দাসের (৫১ বলে ৭০) প্রথম ফিফটি আর নাঈম শেখের (২৮ বলে ৪২) ব্যাটে ৭ উইকেটে ১৭৩ রান করা আবাহনী বিরতির পর ফুরফুরে মেজাজেই নেমেছিল মাঠে। তৃতীয় ওভারে জামালের দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটার পর আবাহনী শিবিরে বয়ে যাওয়া স্বস্তির হাওয়া কেড়ে নেন নিজেদের সোনালি দিন মনে করিয়ে দেওয়া মোহাম্মদ আশরাফুল আর নাসির হোসেন। দুজনের ব্যাটেই ‘প্রহূত’ হয়েছেন আবাহনী বোলাররা। এই দুজনের জুটি ৬৯ রানের, মাত্র ৪৩ বলে।

তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে নাসির আউট হওয়ার সময় ম্যাচে ‘জায়গা’ ফিরে পেয়েছে শেখ জামাল। সেই জমিতে জয়ের মিনার তৈরি করেছে নুরুল হাসানের ট্রেডমার্ক আগ্রাসী ব্যাটিং! তিনটি আকাশচুম্বী ছক্কায় শেখ জামাল অধিনায়ক ৩৬ রান করে আউট হওয়ার সময় উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে আবাহনী। মারদাঙ্গা ব্যাটিংয়ের সিক্যুয়াল হয়ে আবির্ভূত জিয়াউর রহমান বিশাল ছক্কায় মাত্র ৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত। তবে বোধগম্য কারণেই ম্যাচসেরা হয়েছেন ৪৮ বলে ৭২ রান করে অপরাজিত থাকা জামালের ওপেনার আশরাফুল।

সকালের ম্যাচের নায়ক ৫৮ বলে ৯২ রান করা মেহেদী হাসান। আম্পায়ারের দৃষ্টিভ্রম না হলে এই তরুণের সেঞ্চুরিও হয়ে যেতে পারত। ইয়াসিন আরাফাতের বলটি স্টাম্প মিস করে যেত কি—রিপ্লেতে এই প্রশ্ন লেখা আছে। তাতে শুধু মেহেদীর সেঞ্চুরিই মিস হয়েছে, ম্যাচের ভাগ্য বদল হয়নি। তিন বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় গাজী। এর আগে অধিনায়ক শুভাগত হোমের (৩১ বলে অপরাজিত ৫৯) ব্যাটে ভর করে সুপার লিগে প্রথম জয়ের সম্ভাবনা দেখেছিল মোহামেডান।