kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

এই ইতালি অপ্রতিরোধ্য

২২ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এই ইতালি অপ্রতিরোধ্য

নিয়মিত একাদশের আটজনকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন রবার্তো মানচিনি। এর পরও ইতালি সেই অপ্রতিরোধ্যই। ৬৪ শতাংশ বলের দখল রেখে খেলে ওয়েলসের পোস্টে শট নিয়েছে ২৩টি। তবে পুরো ম্যাচ দাপটে খেললেও সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ১-০ গোলের জয়ে। তাতেই এলোমেলো রেকর্ডের পাতাগুলো।

এ নিয়ে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত রইল ইতালি, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ। দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী কোচ ভিত্তরিও পোজ্জোর ইতালিও ১৯৩৫ থেকে ১৯৩৯ পর্যন্ত অপরাজিত ছিল টানা ৩০ ম্যাচ। ৮২ বছর আগের সেই দলকেই অবশ্য এগিয়ে রাখছেন মানচিনি, ‘পোজ্জোর কোনো কীর্তি স্পর্শ করা গর্বের। তবে ৩০ ম্যাচ না হারার চেয়ে বড় ছিল পোজ্জোর হাত ধরে ইতালির গুরুত্বপূর্ণ শিরোপাগুলো জেতা। এর চেয়ে ভালো কিছু হতে পারে না।’

টানা তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপ ‘এ’র চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে ইতালি। সব মিলিয়ে তারা জিতেছে টানা ১১ ম্যাচ, এটাও রেকর্ড। এর আগে মানচিনির ইতালিই ২০১৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত জিতেছিল টানা ১১ ম্যাচ। অভিনব হচ্ছে, এবার ১১ ম্যাচ জেতার পথে কোনো গোল হজম করেনি ইতালি। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ পর্যন্ত টানা ১২ ম্যাচে গোল না খাওয়ার কীর্তি আছে তাদের।

রোমে প্রথম ৩০ মিনিটে ওয়েলসের ওপর ইতালি এতটাই চাপ তৈরি করে যে গোলরক্ষক বল স্পর্শ করেছিল ২৩ বার! ম্যাচের একমাত্র গোলটা ইতালি পায় ৩৯ মিনিটে। মার্কো ভেরাত্তির নিচু ফ্রিকিকে দারুণ ফ্লিকে বল জালে জড়ান মাত্তেয়ো পেসিনা। ৫৫ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ওয়েলসের ২০ বছর ২৭৯ দিন বয়সী খেলোয়াড় ইতহান আমপাদু। ইউরোয় দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে লাল কার্ড দেখলেন তিনি। ১০ জন নিয়ে খেলা ওয়েলস ৭৫তম মিনিটে পেয়েছিল সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ। কিন্তু গ্যারেথ বেল গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নেন বাইরে।

অপর ম্যাচে তুরস্ককে ৩-১ গোলে হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড। তিন ম্যাচে ৮ গোল হজম করে তিন হারে বাদ পড়েছে তুরস্ক। দলটির সাবেক ফুটবলার নিহাত কাহভেচি একহাতই নিলেন তুর্কিদের, ‘ফেভারিট হলেও টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বাজে দল হিসেবে বিদায় নিলাম আমরা।’

চার ম্যাচ শেষে ইতালির পয়েন্ট ৯, ওয়েলসের ৪, সুইজারল্যান্ডের ৪ ও তুরস্কের ১। পয়েন্ট সমান হলেও গোলগড়ে পিছিয়ে সুইজারল্যান্ড এখন তিনে। সেরা চারটি তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে সুইসদের। এএফপি



সাতদিনের সেরা