kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

টিকে গেছেন জেমি ডে

২২ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টিকে গেছেন জেমি ডে

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে টিকে গেলেন জেমি ডে। খেলায় সন্তুষ্ট করতে না পারলেও ‘লাইফলাইনে’ বাংলাদেশ এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইয়ের চূড়ান্ত পর্বে ওঠায় দলের দায়িত্বে থাকছেন এই ইংলিশ কোচই।

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাই শেষে গতকাল জেমির সঙ্গে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনায় বসেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। আলোচনা হয় বাছাই পর্বের আট ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট অর্জন ও মাঠের পারফরম্যান্সের ভালো-মন্দ নিয়ে। বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্সে কি বাফুফে সভাপতি খুশি? জেমি ডে তাঁর উত্তর দিয়েছেন ঘুরিয়ে, ‘আমরা বাছাই পর্বে উন্নীত হয়েছি, তাতে আমাদের লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। পয়েন্ট আরো বেশি পেতে পারতাম, সেটা না হলেও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে পৌঁছেছি, এটাই বড় কথা।’ শেষ মুহূর্তে ফরম্যাট বদলে বাংলাদেশের ভাগ্য খুলেছে এবং এশিয়ান কাপ ফুটবলের চূড়ান্ত বাছাই পর্বে পৌঁছেছে। তাতেই চাকরি টিকে যাচ্ছে জেমি ডের।

তবে বাংলাদেশ দলের মাঠের পারফরম্যান্সে খুব খুশি হতে পারেননি সেটা স্পষ্ট কাজী সালাউদ্দিনের কথায়, ‘এই রেজাল্টে খুব খুশি হওয়ারও কিছু নেই, আবার কান্নাকাটি করারও কিছু নেই।’ পরে সভাপতি যোগ করেন একটি ম্যাচ মনে ধরার কথা, ‘একটি ম্যাচই খুব ভালো লেগেছে, সেটি কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। সেই দলের সাতজনকে ছাড়াই পরে দোহায় খেলতে হয়েছে দলকে। তারা সবাই মূল দলের খেলোয়াড়, সুতরাং ওদেরকে ছাড়া খেলার কথাটাও মাথায় রাখতে হবে।’ ম্যাচের ফল এবং প্রেক্ষাপট সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে বাফুফে সভাপতি হয়তো তাঁর স্ট্যান্স থেকে সরে এসেছেন। কোচের চাকরির ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘তাঁর (জেমি) তো চুক্তি আছে। আরো এক বছর বাকি আছে।’ গত বছর করা কোচের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি শেষ হবে আগামী বছরের জুলাইয়ে।

সভায় সামনের দিনগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জেমি ডে যেভাবে বলেছেন, ‘ভালো মিটিং হয়েছে, সামনের দিনগুলোতে একটা ভালো পরিকল্পনা করে এগোতে হবে, যেন এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত বাছাইয়ে আমরা ভালো ফল করতে পারি। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা একটা পরিকল্পনা জমা দেব।’ গতকাল সভায় জেমির সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহকারী স্টুয়ার্ট ব্রড ও বাফুফে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে খেলা শুরু হবে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি থেকে। তার আগে কোচ চাইছেন ফিফা উইন্ডোগুলোকে কাজে লাগাতে, ‘আমাদের সামনে তিনটি ফিফা উইন্ডো আছে, সেগুলো ভালোভাবে ব্যবহার করতে চাই। ভালো প্রস্তুতি নিয়ে এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব খেলতে চাই। ফিফা উইন্ডোতে আমরা কমপক্ষে ছয়টি ম্যাচ খেলত চাই। সমমানের দলের পাশাপাশি ভালো মানের দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে চাই। আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য নিজেদের সমমানের দলগুলোর সঙ্গে খেলতে চাই, তাতে র্যাংকিংও বাড়বে।’ 

বাছাই পর্বের গত আট ম্যাচ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে বাংলাদেশ রক্ষণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। সবাই মিলে রক্ষণ সামলে এরপর কাউন্টারে ওঠার চেষ্টা করেছে। এই দলের পক্ষে কি অ্যাটাকিং ফুটবল খেলা সম্ভব? ‘তোমার হাতে কী আছে, তার ওপর নির্ভর করছে খেলার কৌশল। খেলার উন্নতি করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার জন্য ভালো ফুটবলার দরকার।’



সাতদিনের সেরা