kalerkantho

বুধবার । ২০ শ্রাবণ ১৪২৮। ৪ আগস্ট ২০২১। ২৪ জিলহজ ১৪৪২

নেদারল্যান্ডসের উচ্ছ্বাস

কমলা ঝড়ে ডাচদের বার্তা

১৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কমলা ঝড়ে ডাচদের বার্তা

মর্যাদার কোনো টুর্নামেন্টে খেলা হয়নি সাত বছর। সেই ব্যর্থতা পেছনে ফেলে এবার ইউরো মাতাচ্ছে নেদারল্যান্ডস। কমলা ঝড় তুলে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে তারা। অপর ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে বেলজিয়াম ২-১ গোলে হারিয়েছে ডেনমার্ককে। এক গোল করে আর অন্যটি করিয়ে ফিরেই নায়ক কেভিন ডি ব্রুইন। এছাড়া গতকাল সুইডেন ১-০ গোলে হারিয়েছে স্লোভাকিয়াকে। ৭৭ মিনিটে এমিল ফর্সবার্গের পেনাল্টিতে করা গোলটি গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ভাগ্য।

রোমাঞ্চকর ম্যাচে ইউক্রেনকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ইউরো শুরু করেছিল  নেদারল্যান্ডস। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে অবশ্য শুরু থেকেই দাপট তাদের। তাই জয়ের ব্যবধান ৪-০ না হওয়াটা হতাশার। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউটে তারা পাবে অন্য গ্রুপের তৃতীয় হওয়া কাউকে। কোয়ার্টার ফাইনালের পথটা সহজ হওয়ায় কোচ ফ্রাঙ্ক ডি বোর বার্তাই দিলেন অন্যদের, ‘নকআউট নিশ্চিত হওয়ায় ভীষণ খুশি আমি, তবে আরো উন্নতি করতে হবে দলকে। আমরা ফেভারিট কি না, এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। শুধু জানি নিজেদের দিনে যে কাউকে হারাতে পারি। অন্যরাও এটা ভাবছে। এ জন্য একেকটি ম্যাচ ধরে এগিয়ে যেতে চাই।’

১১তম মিনিটে মেমফিস ডিপাইয়ের পেনাল্টি থেকে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ডেনজিল ডুমফ্রিসকে বক্সে দাভিদ আলাবা ফাউল করলে ভিএআরে পেনাল্টি পায় ডাচরা। ২৪ ও ৪০ মিনিটে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বার্সায় যোগ দিতে যাওয়া ডিপাই। ৬৭ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে তাঁর বাড়ানো পাস থেকে ডোনিয়েল মালানের কাছ থেকে বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডেনজিল ডুমফ্রিস। ইউক্রেনের বিপক্ষে তৃতীয় গোলটি করে জিতিয়েছিলেন ডুমফ্রিসই। শেষ দিকে অস্ট্রিয়া কয়েকটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি।

গ্রুপ ‘বি’তে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৯৯ সেকেন্ডে ইউসুফ পলসেনের গোলে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। ২০০৪ সালে রাশিয়ার দিমিত্রি কিরিচেনকোর ৬৫ সেকেন্ডের গোলের পর ইউরোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোল এটি। দলের সেরা তারকা ক্রিস্তিয়ান এরিকসেন আগের ম্যাচে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এখন হাসপাতালে। ১০ নম্বর জার্সি পরে খেলা এরিকসেনের সম্মানে ম্যাচের দশম মিনিটে দাঁড়িয়ে করতালি দিতে থাকে দর্শক। তাঁর জন্যই জিততে মরিয়া ডেনমার্ক বিরতির আগে কোণঠাসা করে রেখেছিল র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দলকে। তাদের প্রেসিং ফুটবলে একসঙ্গে পাঁচটা পাসও খেলতে পারছিল না বেলজিয়াম।

বিরতির পর বদলি হয়ে নামা কেভিন ডি ব্রুইন গড়ে দেন ম্যাচের ভাগ্য। ৫৪ মিনিটে রোমেলু লুকাকুর দারুণ মুভে বল পেয়ে ডি ব্রুইন বল বাড়ান গোলমুখে, যা জালে জড়ান থরগান হ্যাজার্ড। এই থরগানের বড় ভাই এডেন হ্যাজার্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে ৭০ মিনিটে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন ডি ব্রুইন। এরিকসেনের সম্মানে অবশ্য উৎসবে মাতেননি ডি ব্রুইন। এএফপি



সাতদিনের সেরা