kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

রিয়াল-রামোসের পথ হলো আলাদা

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রিয়াল-রামোসের পথ হলো আলাদা

সের্হিয়ো রামোস শুধুই একজন ডিফেন্ডার? এ কথা শুনে লোকে হাসবে। শুধুই একজন অধিনায়ক, তাতে কিছুই বলা হবে না তাঁর নেতৃত্বগুণের। ভীষণ প্রয়োজনের সময় দলের ত্রাতা—এ সব কিছু মিলেই আসলে রামোস। গত দুই দশকের ফুটবলে শক্তিশালী এক চরিত্র। রিয়াল মাদ্রিদের শুভ্র জমিন ছাড়া তাঁকে আঁকাও যাবে না পুরোপুরি। সেই রিয়াল-রামোসে ছাড়াছাড়ি হলো অবশেষে, দীর্ঘ ১৬ বছরের বন্ধন টুটল। কাল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে ৩৫ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকা বিদায় বলেছেন রিয়ালকে।

না বিদায় নয়, বিদায়ি সংবাদ সম্মেলনে নিজেই শুধরে দিয়েছেন সেটা, ‘বিদায় বলছি না। আবার দেখা হবে। একদিন এখানেই ফিরব।’ ১৬ বছরে ৬৭১ ম্যাচ, ডিফেন্ডার হয়েও অবিশ্বাস্য ১০১ গোল। সেই সঙ্গে ২২ ট্রফি। রিয়ালের হয়ে এত বেশি ট্রফি জিততে পেরেছে শুধু পাকো গেন্তো (২৩)। তবে সেই ’৫০-৬০-এর দশকে মাদ্রিদিস্তাদের একচ্ছত্র আধিপত্যের যুগে জেতা ছয়টি ইউরোপিয়ান ট্রফির সঙ্গে রামোসের জেতা চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ মেলানো যাবে না। যে যুগে টানা দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেনি অন্য কোনো দল, সেখানে রামোসের অধিনায়কত্বেই রিয়ালে এসেছে টানা তিন ট্রফি। ‘লা দেসিমা’ জয়ে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে রামোসের ৯৩ মিনিটের চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে মাদ্রিদিস্তাদের মনে।

রামোসের বিদায়টা রিয়ালের ঐতিহ্য মেনে অনেকটা সাদামাটাভাবে, একটা সংবাদ সম্মেলনে শেষ। রিয়াল কিংবদন্তি ইকের ক্যাসিয়াস বিদায় নিয়েছেন অভিমানে, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বিদায়ও সুখকর ছিল না। সর্বশেষ রামোস রিয়াল ছাড়লেন চুক্তি নবায়ন না হওয়ায়। বিদায়ে সেই অভিমান তাঁর কণ্ঠেও, ‘সান্তিয়াগো বার্নাব্যু থেকে বিদায় নিতে পারলে সবচেয়ে ভালো লাগত। রিয়ালকে আসলে বিদায় বলা সম্ভবও নয়। আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তই এটা।’ বিবিসি



সাতদিনের সেরা