kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

ছয়ে নামা নাঈমে উদ্ধার আবাহনী

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ছয়ে নামা নাঈমে উদ্ধার আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এমনিতে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হলেও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) প্রথম পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে আবাহনী তাঁকে নামাল ছয় নম্বরে। যখন নামেন, ততক্ষণে বৃষ্টি আইনে ১৬৪ রানের লক্ষ্য পাওয়া বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে অবনমনের শঙ্কা এড়ানোর দারুণ সুযোগও তৈরি হয়ে আছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সামনে। সেখান থেকে ম্যাচ নিজেদের নাগালে নিয়ে আসতে থাকা নাঈম শেখ জীবন পাওয়াতেই রূপগঞ্জের হাত থেকে ফসকে গেল জয়। শেষ পর্যন্ত তাঁর ১৯ বলে ৩৯ রানের হার না মানা ইনিংসে ভর দিয়েই ৫ উইকেটের জয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল আবাহনী।

১৬ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান তিন নম্বরে। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে থাকা প্রাইম দোলেশ্বর রানরেটে এগিয়ে। ওল্ড ডিওএইচএসের বিপক্ষে যাদের প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচটি কাল বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। ১০ ওভারের ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ৭৪ রানের লক্ষ্য পাওয়া প্রাইম ব্যাংক ৫ উইকেটে খেলাঘরকে হারিয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে থাকল সবার ওপরেই। প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ১৪ ওভারে ১১৫ রানের লক্ষ্য পাওয়া গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৭ উইকেটে মোহামেডানকে হারিয়ে উঠে এলো পয়েন্ট তালিকার ৪ নাম্বারে। এ ম্যাচে ডানহাতি পেসার মহিউদ্দিন তারেক ২৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে মোহামেডানকে এগোতে দেননি বেশি দূর। এবারের ডিপিএলে নিজের শেষ ম্যাচে ১৬ বলে ১০ রান করা সাকিব আল হাসানও তাঁর শিকার। বল হাতে ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ১ উইকেট নেওয়া অলরাউন্ডারের আজই যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের কাছে উড়ে যাওয়ার কথা।

পয়েন্ট টেবিলে সবার শেষে থাকা পারটেক্স টানা ১০ ম্যাচ হারার পর কাল অবশেষে একটি পয়েন্ট পেয়েছে। তাও শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় (বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি-ব্রাদার্স ম্যাচও)। এই পয়েন্ট ভাগাভাগিতে রেলিগেশন লিগ আর খেলতে হচ্ছে না শাইনপুকুরকে। ৯ পয়েন্ট পাওয়া তাদের সঙ্গে নিরাপদ খেলাঘরও (৮ পয়েন্ট)। আবাহনীর কাছে হারে তিন দলের রেলিগেশন লিগে অবনমন এড়ানোর লড়াইটা এখন রূপগঞ্জ (৭ পয়েন্ট) আর ওল্ড ডিওএইচএসের (৬ পয়েন্ট) মধ্যেই। মাত্র ১ পয়েন্ট পাওয়া পারটেক্সের অবনমন নিশ্চিত, তাদের সঙ্গে এই দুই দলের একটি নেমে যাবে প্রথম বিভাগে।

রান তাড়ায় আবাহনীর টপ অর্ডারের সবাই ভালো শুরু পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার একবার জীবন পেয়েও করেন ১৬ বলে ২২ রান। ১৯ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের ইনিংসও শেষ ১৮ বলে ২০ রান করে। আফিফ হোসেনও (১২ বলে ২১) হাল ধরে খেই হারানোর পর ফিনিশারের ভূমিকায় নামেন নাঈম। ১৩ বলে ২২ রান করে দলকে জয়ের দিকে নিতেও থাকেন। সেই সময়ই মুক্তার আলীর বল ছক্কায় ওড়ানোর চেষ্টায় ক্যাচ তুলে দেন। লং অফ থেকে দৌড়ে আসা সাঞ্জামুল ইসলাম বলে হাত লাগিয়েও জমাতে না পারাই ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় রূপগঞ্জকে, সেই সঙ্গে নিয়ে ফেলে রেলিগেশন লিগের চক্করেও। তখনও জেতার জন্য ১৯ রান দরকার আবাহনীর, এর ১৭-ই আসে নাঈমের ব্যাট থেকে। তাঁর ইনিংসে দুটি করে চার ও ছক্কার মার।



সাতদিনের সেরা