kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

শুভ জন্মদিন

একটা আক্ষেপ আছে রিংকির

১৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটা আক্ষেপ আছে রিংকির

১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিক। ২৮ বছরের টগবগে তরুণ সাইফুল আলম চৌধুরী রিংকি গিয়েছিলেন বুকভরা আবেগ নিয়ে। বাংলাদেশের পতাকা ছিল তাঁর হাতে। ২০১৩ সালে কৃতী এই শ্যুটার আরো একবার যান আটলান্টায়, ভাগ্যান্বেষণে। জর্জিয়ার ফেয়ারবানে ছিলেন স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা ও ছেলে রওনক চৌধুরীকে নিয়ে। সেখানেই জন্ম দ্বিতীয় ছেলে রাফকাত চৌধুরী রাফির। জন্মসূত্রে রাফি আমেরিকান হওয়ায় সাইফুল আলম রিংকি চেষ্টা করেছিলেন দেশটিতে স্থায়ী হতে।

সেটা আর হয়ে ওঠেনি। অবৈধ অভিবাসী হয়েও থাকতে চাননি যুক্তরাষ্ট্রে। ফিরে আসেন তাই। তবে দ্বিতীয় ছেলে রাফির বয়স ১৮ হলে সুযোগ আসবে আরো একটা। আজ ৫৩তম জন্মদিনে এ নিয়ে জানালেন, ‘আমাদের বয়স হয়েছে। ছেলে চাইলে যেতেই পারে। নিজের জন্মদিনে আর নতুন কোনো স্বপ্ন দেখি না। দুই ছেলেকে নিয়ে দেখা দুটি স্বপ্ন পূরণ হলেই সৌভাগ্যবান ভাবব নিজেকে।’

আটলান্টায় সাবেক কজন শ্যুটার থাকেন বাংলাদেশের। তাঁদের অন্যতম নজরুল ইসলাম রুবেল করেন পিত্জার ব্যবসা। তাঁর দোকানেই কিছুদিন কাজ করেছিলেন ১১টি আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক জয়ী সাইফুল আলম রিংকি।

২০০৬ সালে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া সাইফুল আলম স্বপ্ন দেখেন শ্যুটিংয়ে হাত পাকানো বড় ছেলে রওনক চৌধুরীকে ঘিরে, এরই মধ্যে যুব গেমসে রুপা আর যুব চ্যাম্পিয়নশিপে জিতেছেন ব্রোঞ্জ। ‘ও’ লেভেল পরীক্ষার জন্য কিছুদিন অনুশীলন বন্ধ থাকলেও তাঁকে নিয়ে আশাবাদী সাইফুল আলম।

১৯৯৩ সালের ঢাকা সাফ গেমসে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের দলগতে ও এককে সোনা জিতেছিলেন সাইফুল আলম। ৫৮০ স্কোরে গড়েন নতুন সাফ গেমস রেকর্ড। পরেরবার ১৯৯৫ সাফ গেমসে নিজের রেকর্ড ভেঙেই জিতেছিলেন সোনা। সাফ গেমসের পাঁচটির পাশাপাশি সাফ শ্যুটিংয়ের সোনা ছয়টি। ২০০৯ সালে ঢাকায় সাফ শ্যুটিংয়ে একটি ব্রোঞ্জ জিতেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানা সাইফুল আলমের আফসোস, ‘চারবার কমনওয়েলথ গেমসে খেলেও কোনো সোনা জিততে না পারার আক্ষেপটা রয়ে যাবে আজীবন।’



সাতদিনের সেরা