kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

আবাহনীর হারের দিন সুপার লিগে মোহামেডানও

১৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবাহনীর হারের দিন সুপার লিগে মোহামেডানও

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আবাহনীকে হারানোর আত্মবিশ্বাস সঙ্গী যে দলের, সেই খেলাঘরের আরেকটি বড় শিকার ধরার সম্ভাবনায় আস্থা রাখাই যেত। বৃষ্টির কারণে ১০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে মোহামেডানের ৯ উইকেটে ৮৮ রান তাড়ায় জয়ও যে হাতের নাগালেই ছিল তাদের। কিন্তু ৬ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ২ ওভারে ১৩ রানের সমীকরণ তাদের মেলাতে দেয়নি পেসার আবু জায়েদ ও অফস্পিনার শুভাগত হোমের দারুণ বোলিং। খেলাঘর ৫ উইকেটে ঠিক ৮৮ রানেই থামলে বিকেএসপিতে চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ প্রথমবারের মতো গড়ায় সুপার ওভারে। তাতে জিতে মোহামেডানও নাম তুলে নেয় ছয় দলের সুপার লিগে।

একই দিনে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাইফ হাসানের ফিফটির পরও বড় সংগ্রহ না পাওয়া প্রাইম দোলেশ্বর কামরুল ইসলাম রাব্বির দুর্দান্ত বোলিংয়ে টেনে নামায় আবাহনীকে। ১৩২ রান তাড়ায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হার ২৮ রানের। ১০ ম্যাচে সপ্তম জয়ে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপাপ্রত্যাশী দোলেশ্বর তাই উঠে এসেছে দুই নম্বরে। সমানসংখ্যক ম্যাচে তৃতীয় হারে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী তিন নম্বরে। ব্রাদার্সকে বৃষ্টি আইনে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাওয়া অষ্টম জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবশ্য প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবই। মাত্র ১২০ রান করেও ওল্ড ডিওএইচএসকে ১৬ রানে হারিয়ে গতকাল সুপার লিগ নিশ্চিত করেছে শেখ জামাল ধানমণ্ডিও। সন্ধ্যায় মিরপুরে শাইনপুকুরের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই শেষ ছয় নিশ্চিত হয়ে যায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সেরও। এদিন পারটেক্সকে ২১ রানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জও। তবে এই জয়ে তাদের অবনমন এড়ানোর আশাই শুধু উজ্জ্বল হয়েছে একটু।

১০ ওভারের ম্যাচে যেমন ব্যাটিং দরকার, মোহামেডান ওপেনার আব্দুল মজিদ করেছেন তেমনই। ৩০ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় তাঁর ৫৭ রানের ইনিংসের পর মোহামেডানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ রান! জবাবে মাসুম খানের (৩৩*) ব্যাটে জয়ের আশা দেখলেও সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচে খেলাঘর করে ১৩ রান। খালেদ আহমেদের করা প্রথম বলই ছক্কায় উড়িয়ে জয়ের সমীকরণ সহজ করে ফেলেন ইরফান শুক্কুর। এক বল পর স্ট্রাইক পাওয়া ম্যাচসেরা মজিদ দুই রান নেওয়ার পর চার মেরে জয় নিশ্চিতই করে রাখেন। পঞ্চম বলে তিনি আউট হলেও শেষ বলে শুক্কুরের সিঙ্গেলে জয় আসে। মিরপুরে দোলেশ্বরকে একরকম একাই টেনেছেন সাইফ। ৪৯ বলে ১ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় ৫৮ রান করে তাঁর বিদায়ের পর দলের ইনিংসকে আর গতি দিতে পারেননি কেউ। ৯ উইকেটে তাদের ১৩২ রানের মাঝারি সংগ্রহ তাড়ায় শুরুতে ধাক্কা খায় আবাহনীও। ধাক্কাটা দেন অফস্পিনার শরীফউল্লাহ। আগের দুই ম্যাচে ৯২ ও ৭৪ রানের দুটো বিধ্বংসী ইনিংস খেলা মুনিম শাহরিয়ার (৮) ও নাজমুল হোসেন শান্তকে (৮) বিদায় করেন তিনি। ৩৬ রানে ২ উইকেট হারানো আবাহনীর বিপদ আরো ঘনীভূত হয় ১০ রানের মধ্যে মুশফিকুর রহিম (৪) ও ওপেনার নাঈম শেখের (৩১ বলে ২২) বিদায়ে। ৫১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা আবাহনী ২৩ রানে হারায় শেষ ৬ উইকেট। এর মধ্যে ২.৫ ওভার বোলিং করে ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেটই নেন ম্যাচসেরা কামরুল।



সাতদিনের সেরা