kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

নেইমারময় ম্যাচে সাম্বা জাদু

১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নেইমারময় ম্যাচে সাম্বা জাদু

মানো গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে সাম্বার ছন্দ। সব শঙ্কা পেছনে ফেলে শুরু হওয়া কোপার উদ্বোধনী ম্যাচটা নিজের করে নিলেন নেইমার। তাঁর দ্যুতিতে ভেনিজুয়েলাকে ৩-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিকরা। নিজে এক গোল করার পাশাপাশি অপর দুটিতেও রেখেছেন সরাসরি অবদান। সাম্বার ছন্দ তুলে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা ব্রাজিলিয়ানরা একের পর এক সুযোগ নষ্ট না করলে জিততে পারত ৬-০ বা ৮-০ ব্যবধানেও। অপর ম্যাচে কলম্বিয়া ১-০ গোলে হারিয়েছে ইকুয়েডরকে। ৪২ মিনিটে করা এদউইন কারদোনার গোলে মিশে ছিল লাতিন শিল্প। অনেকের কাছে এটা ব্যালে নাচের শিহরণ জাগানিয়া পারফরম্যান্স।

১৫ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ব্রাজিলের বিপক্ষে দল গড়তেই হিমশিম খেয়েছে ভেনিজুয়েলা। ১২ জন বদলি খেলোয়াড়ের তালিকায় মাত্র সাতজনের নামই দিতে পারে তারা। দুর্বল ভেনিজুয়েলাকে পেয়ে ২৩ মিনিটে প্রথম গোল ব্রাজিলের। নেইমারের কর্নার থেকে আসা বল গোললাইনের সামনে পেয়ে দারুণ টোকায় জাল খুঁজে নেন মার্কিনিয়োস। দুই মিনিট পরই রিচার্লিসনের গোল বাতিল অফসাইডের কারণে। ৬৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। দানিলোকে বক্সে ইয়োহান কুমানা ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। ৮৯ মিনিটে ডি বক্সে ঢুকে বাইলাইন থেকে কাটব্যাক করেন নেইমার। ‘গাবিগোল’খ্যাত গ্যাব্রিয়েল বারবোসা ফাঁকা জালে বল পাঠান বুক দিয়ে।

ব্রাজিলের জার্সিতে ৬৭তম গোল করা নেইমার ম্যাচে সফল ড্রিবল করেছেন ছয়বার। ‘কি পাস’ দিয়েছেন সাতটি। একটি গোল, একটি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি অপর গোলেও রেখেছেন ভূমিকা। নষ্টও করেছেন গোল করার তিনটি সুযোগ! তাই ম্যাচ শেষে কোচ তিতে প্রশংসায় ভাসালেন তাঁকে, ‘নেইমারের সৃষ্টিশীলতার সামর্থ্যের উন্নতি হয়েছে। ডান, বাঁ দুই পায়ে আরো ভালো করছে। দিনে দিনে প্রতিপক্ষের জন্য অননুমেয় হয়ে উঠছে ও। নেইমার অসাধারণ যেমন অসাধারণ রোনালদো, রিভালদো, রোমারিও।’

অপর ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে করোনা টেস্টে পজিটিভ ফল পান কলম্বিয়ার দুই টেকনিক্যাল সহকারী। এর পরও কারদোনার অসাধারণ গোলে ১-০ ব্যবধানের জয় পায় তারা। ৪২ মিনিটে ডি বক্সের সামনে ফ্রিকিক পায় কলম্বিয়া। সরাসরি শট না নিয়ে হুয়ান কুয়াদ্রাদোর সঙ্গে তিনটি ছোট পাস খেলেন কারদোনা। এরপর বক্সে অপেক্ষায় থাকা মিগুয়েল বোর্হাকে বাতাসে ভাসিয়ে পাস দেন কুয়াদ্রাদো। কারদোনা ততক্ষণে ঢুকে পড়েছেন বক্সে। বোর্হার আলতো হেড সামনে পেয়ে গোলরক্ষককে বোকা বানান কারদোনা। গোলটি নিয়ে কোচ রেইনালদো রুয়েদার উচ্ছ্বাস, ‘খেলোয়াড়রা এমন গোল করার অনুশীলন করছিল বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব থেকেই। এটা মনে থাকবে অনেক দিন।’ এএফপি