kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

আবারও বিস্ফোরক মুনিমে জয় আবাহনীর

১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবারও বিস্ফোরক মুনিমে জয় আবাহনীর

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জেতার দিন মুশফিকুর রহিম খালি হাতে ফিরেছেন তো কী, আগের ম্যাচেই ৫০ বলে ৯২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলা মুনিম শাহরিয়ারের ব্যাটে গতকালও ছিল একই রকম বারুদ। এবার করলেন ৪০ বলে ৭৪! রানে না থাকা নাজমুল হোসেন শান্তও চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) দেখা পেলেন প্রথম ফিফটির। দুয়ে মিলে আবাহনীর ৪ উইকেটে ১৮১ রানের বিশাল সংগ্রহ। তবে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে জিততে শেখ জামাল ধানমণ্ডিকে ১৩ ওভারে করতে হতো ১৪৮ রান। যা তাড়ায় মাত্র ৯৮ রান পর্যন্ত যেতে পারা জামালের বিপক্ষে ৪৯ রানের জয়ে পয়েন্টে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ধরেও ফেলল আবাহনী।

৯ ম্যাচে সপ্তম জয়ে তাদের ১৪ পয়েন্ট হয়ে গেলেও রানরেটে এগিয়ে থাকা প্রাইম ব্যাংকই শীর্ষে। আগের ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের কাছে হারার পর রনি তালুকদারের ব্যাটে গতকাল আবার তারা জয়ে ফিরল ওল্ড ডিওএইচএসকে ২২ রানে হারিয়ে। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ব্যাটিং ব্যর্থতা ও কামরুল ইসলাম রাব্বির দারুণ বোলিংয়ের যোগফলে মাত্র ১১৮ রান করেও ১৪ রানের জয়ে ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে প্রাইম দোলেশ্বর। তাদের ঠিক পেছনেই থাকা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ষষ্ঠ জয় তুলে নিল বৃষ্টি আইনে পারটেক্সকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে। বৃষ্টি আইনে ১৬ ওভারে ১২৬ রানের লক্ষ্য পাওয়া খেলাঘর ১৫ রানে হেরে গেছে শাইনপুকুরের কাছে। তবে বৃষ্টি মোহামেডান-ব্রাদার্স ম্যাচটি শেষই হতে দেয়নি। মোহামেডানের ৯ উইকেটে ১৪৩ রানের জবাব দিতে আর নামাই হয়নি ব্রাদার্সের।

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে দ্রুতই ওপেনার নাঈম শেখকে (১০) হারালেও আবাহনীর রানচাকা ছিল দারুণ গতিশীল। দ্বিতীয় উইকেটে ৮৮ রানের পার্টনারশিপ মুনিম ও নাজমুলের। ৯টি চার ও ৩ ছক্কায় আরেকটি বিস্ফোরক ইনিংস খেলে মুনিম জেতেন টানা দ্বিতীয় ম্যাচসেরার পুরস্কারও। তাঁর বিদায়ের পর ৪২ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন নাজমুল। আবাহনীর ইনিংসের ১৯তম ওভারে (১৮.২) বৃষ্টি নামলে সেখানেই থামতে হয় তাদের। জবাব দিতে নামা জামালও হারায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট। পেসার মেহেদী হাসান রানা ১৬ রানে নেন ৩ উইকেট। ১৬ রান খরচায় দুই শিকার ধরেন বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানিও। তামিম ইকবালকে (২৮ বলে ২৫) নিয়ে ৫১ রানের সূচনা এনে দেওয়া রনি ছাড়া প্রাইম ব্যাংকের আর কোনো ব্যাটসম্যানই দলের সংগ্রহ বাড়ানোয় বড় অবদান রাখতে পারেননি। ৩৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় রনির ৫৪ রানের পরও তাই দলটি ৭ উইকেটে করতে পারে ১৪৭ রান। তবে শরীফুল ইসলাম (৩/২৩), মনির হোসেন (২/১৭), অলক কাপালি (২/১৯) ও নাহিদুল ইসলামদের (২/২৪) বোলিং কৃতিত্বে ডিওএইচএস প্রাইম ব্যাংকের সামনে সমস্যাও হতে পারেনি। অল্প পুঁজি নিয়ে দোলেশ্বরও পার পেয়ে গেছে কামরুল (৩/১৫) ও শফিকুল ইসলামদের (২/৬) নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই। ৮ ওভারে মাত্র ৪৭ রানের লক্ষ্যে (পারটেক্স ১০৯/৭) পৌঁছাতে গাজীর সমস্যাই হয়নি কোনো, মাত্র ৫.৩ ওভারেই জয়ের তীরে!



সাতদিনের সেরা