kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩ আগস্ট ২০২১। ২৩ জিলহজ ১৪৪২

দায় নেবে না মোহামেডান

৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দায় নেবে না মোহামেডান

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ মাঠে ফেরাতে বায়ু সুরক্ষা বলয় তৈরির জন্য সাত কোটি টাকা ব্যয় করছে বিসিবি। তাই আসর শুরুর আগেই প্রতিটি দলকে বায়ো-বাবল প্রটোকল সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছিল ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম)। এর পরও এই বায়ু বলয়ে না থাকা দুজন নেট বোলার নিয়ে অনুশীলন করেছেন মোহামেডান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এক কিশোর ভক্ত ছবিও তুলেছেন তাঁর সঙ্গে। এ নিয়ে সিসিডিএমের তদন্তের খবরে কোনো হেলদোল নেই মোহামেডানে। উল্টো সাকিবভক্ত কিশোরের ইনডোরে প্রবেশের ঘটনায় বিসিবির নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।

আলোচিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন সিসিডিএম চেয়ারম্যান কাজী ইনাম। তবে মোহামেডান ক্লাবের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘এ জাতীয় কোনো চিঠি আমরা পাইনি।’ সঙ্গে তিনি এ-ও যুক্ত করেন যে, বায়ো-বাবল রীতি ভঙ্গ হচ্ছে কি না, এটির জন্য সিসিডিএম যে বিশেষ একটি কমিটি গঠন করেছে, সে ব্যাপারেও ক্লাবটি অবহিত নয়। যদিও সিসিডিএমের বরাতে ঢাকার ক্লাবগুলোর আবাসস্থল প্রতিটি হোটেলে বায়ো-বাবল প্রটোকল পর্যবেক্ষক নিয়োগের ঘোষণা বেশ ঘটা করেই দিয়েছিল সিসিডিএম।

বিসিবির জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী গতকাল জানিয়েছেন, ‘বায়ো-বাবল পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি হোটেলে আমাদের প্রতিনিধি আছে। তাদের কাজ হলো দলগুলোর সবাই যেন সুরক্ষিত থাকে, কোনোভাবে যেন এই সুরক্ষা বলয় বিঘ্নিত না হয়।’ নেট অনুশীলনের জন্য নিজের একাডেমি থেকে দুজন বোলার নিয়ে সাকিবের মিরপুরের ইনডোরে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ওই দুজনই করোনা টেস্টে নেগেটিভ ছিল। তবে বায়ো-বাবল প্রটোকলে বাইরের কারোর নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়েই ঢোকার বিষয়টি উল্লেখ নেই। আর অনুশীলনে যাওয়ার কথা আমাদের কমিটির কাউকে অবহিতও করা হয়নি।’

গতকাল সাকিবের বিষয়টি তদন্তে নিয়োজিত সিসিডিএমের টেকনিক্যাল কমিটির কাছে ব্যাখ্যাও করেছেন দেবাশীষ, ‘কমিটিকে বলেছি, বর্তমান পরিস্থিতি সবার জন্যই কঠিন। অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাচ্ছে না। সামনেই জিম্বাবুয়ে সিরিজ। সেটির জন্য বাড়তি প্রস্তুতি কারোর দরকার হতেই পারে। তা ছাড়া আমি যেটুকু বুঝি, নেট বোলারদের সঙ্গে ব্যাটসম্যানদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকে। শখ করে ছবি তুলতে যাওয়া কিশোরও নিরাপদ দূরত্বে ছিল। টেকনিক্যাল কমিটিকে এসবই বলেছি।’

মোহামেডান ক্লাব এই ভক্ত কিশোরের বায়ো-বাবলে ঢুকে পড়া নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন! ‘একজন ভক্তের বায়ু সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়ার দায়দায়িত্ব আমরা নেব কেন? তবে আমরা দেখেছি সে (ভক্ত) সাকিবের থেকে নিরাপদ দূরত্বেই ছিল’, বলেছেন মোহামেডানের এক কর্মকর্তা। তা ছাড়া ভক্তের এভাবে ঢুকে পড়ায় বিসিবির নিরাপত্তাব্যবস্থায় গলদও দেখছে মোহামেডান। অবশ্য এতে বায়ো-বাবল ‘ভাঙা’র বিপক্ষে নিজেদের স্ট্যান্সে অটল আছে সিসিডিএম। সেই স্ট্যান্স কতটা কার্যকর, তা জানা যাবে দু-এক দিনের মধ্যেই।



সাতদিনের সেরা