kalerkantho

সোমবার । ৭ আষাঢ় ১৪২৮। ২১ জুন ২০২১। ৯ জিলকদ ১৪৪২

রিয়ালের কপাল পুড়ল ভিএআরে

১১ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রিয়ালের কপাল পুড়ল ভিএআরে

জিতলেই লা লিগার নাটাই আসত হাতে। সেভিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলের ড্রতে সেটা হাতছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের। উত্তেজনা, নাটক আর বিতর্কের এই ম্যাচে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ভিএআর নিয়ে। ৭৫ মিনিটে রিয়ালের পাওয়া পেনাল্টি ভিএআর উল্টো দিয়ে দেয় সেভিয়াকে! ম্যাচ শেষে শান্ত জিনেদিন জিদানও মেজাজ হারিয়ে হ্যান্ডবলের নিয়ম জানতে চান রেফারির কাছে!

উত্তেজনায় রিয়াল-সেভিয়া ম্যাচটা দেখতে চাননি অ্যাতলেতিকো কোচ ডিয়েগো সিমিওনে। রিয়ালের ড্রতে সবচেয়ে বেশি লাভ তাঁর দলেরই। শেষ তিন ম্যাচ জিতলে লা লিগা নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের। বার্সেলোনা, রিয়াল সব ম্যাচ জিতলেও প্রত্যাশা করতে হবে অ্যাতলেতিকোর হোঁচটের। সমান ৩৫ ম্যাচ শেষে অ্যাতলেতিকোর পয়েন্ট ৭৭, রিয়ালের ৭৫, বার্সেলোনার ৭৫ ও সেভিয়ার ৭১। তবে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি জিদানের, ‘আমরা শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব। মৃত্যু পর্যন্ত।’

৭৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ডি বক্সে ঢুকে পড়া করিম বেনজিমাকে ফাউল করেছিলেন সেভিয়া গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। কিন্তু সব পেনাল্টিই পরীক্ষা করে ভিএআর। সেটা পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায়, আক্রমণটা শুরুর সময় সেভিয়ার কর্নার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে রিয়াল ডিফেন্ডার এদের মিলিতাওয়ের হাতে লেগেছিল বল। বদলে যায় সিদ্ধান্ত। বাতিল হয় রিয়ালের পাওয়া পেনাল্টি, আর অপ্রত্যাশিত স্পটকিক পায় সেভিয়া।

সুযোগটা কাজে লাগিয়ে দলকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন ইভান রাকিতিচ। এর কিছুক্ষণ আগে মিলিতাওয়ের মতো সেভিয়ার এক ডিফেন্ডারের হাতেও বল লেগেছিল একইভাবে। রেফারি সেটা এড়িয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছিলেন জিদান, ‘তাঁদের আমাকে বোঝাতে হবে যে হ্যান্ডবলের নিয়মটা কী? মিলিতাওয়েরটা যদি হ্যান্ডবল হয় তাহলে সেভিয়ারটাও হওয়ার কথা। তবে আমি ফুটবলে বিশ্বাস রাখি।’

নিজেদের প্রথম আক্রমণে জালে বল পাঠিয়েছিলেন করিম বেনজিমা। তবে তাঁকে ক্রস বাড়ানো আলাভারো অদ্রিয়োজোলা অফসাইডে থাকায় গোল হয়নি সেটা। ২২ মিনিটে সেভিয়াকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফের্নান্দো। রাকিতিচের হেড ছয় গজ বক্সে জটলায় পেয়ে কাসেমিরোকে এক ঝটকায় ছিটকে ফেলে অদ্রিয়োজোলার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরান মার্কো আসেনসিও। মদরিচের বদলি হয়ে নামার ৬৫ সেকেন্ড পরই টনি ক্রুসের পাস ডি বক্সে পেয়ে লক্ষ্যভেদ তাঁর। এরপর ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে রাকিতিচের সেই বিতর্কিত গোল। রিয়ালেরই সাবেক কোচ ইউলিয়ান লোপেতেগির সেভিয়া ৯০ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ২-১ ব্যবধানে। কিন্তু ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে এডেন হ্যাজার্ডের গোলে সমতা ফেরে ম্যাচে, যদিও এতে এই বেলিজিয়ানের অবদান সামান্যই। ক্রুসের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট হ্যাজার্ডের পায়ে লেগে দিক বদলে জড়ায় জালে। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে কাসেমিরোর নেওয়া শটটা পোস্ট ঘেঁষে না গেলে জিততেও পারত রিয়াল। মার্কা