kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

এবারের সুরক্ষাব্যবস্থায় আরো কঠোরতা

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুরক্ষাবলয়ও যে অরক্ষিত হয়ে পড়তে পারে, আইপিএল সেটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। অন্তত চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির খেলোয়াড়, কোচিং ও সাপোর্ট স্টাফের একাধিক সদস্য করোনা সংক্রমিত হওয়ায় আসরই স্থগিত করে দিতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। যা এখন যেকোনো ক্রিকেট আয়োজনের আয়োজকদেরও বাড়তি সতর্কতার বার্তা দিয়ে রাখছে। সতর্ক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। নিজেরা দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক সিরিজ সফলভাবে আয়োজন করেছে বলেই স্বস্তিতে বসে থাকার উপায় দেখছে না তারাও। বরং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে সতর্কতা আরো বাড়ানোর কথাই বললেন সংস্থার প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।

যদিও আইপিএলের মতো বহুদলীয় আসরের তুলনায় দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বায়ো বাবল বা জৈব সুরক্ষাবলয়ের ফাঁকফোকর অনেক কম বলেও মনে করেন তিনি, “যেকোনো জায়গায়ই (করোনা) ঢুকতে পারে। এ জন্য সতর্ক থাকতে হবে। অনেক বেশি দল, খেলোয়াড়সহ সাপোর্ট স্টাফের কারণে হয়তো আইপিএল কর্তৃপক্ষ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনায় কুলিয়ে উঠতে পারেনি। এটি তো মেগা ইভেন্টই, অনেকটা বিশ্বকাপের মতো। কোনো একভাবে ঢুকে গিয়েছে। কোনো একটি দিক হয়তো ‘আন-অ্যাটেন্ডেড’ রয়ে গিয়েছিল। এ রকম হতেই পারে।” এখানে তিনি টানলেন সিঙ্গাপুরের উদাহরণও, “সিঙ্গাপুরের উদাহরণই দিই। একটি গ্রুপ ‘আন-অ্যাটেন্ডেড’ রয়ে গিয়েছিল। শ্রমিকরা জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকে। পরে সেই জায়গাটিও ‘অ্যাটেন্ড’ করায় এখন কিন্তু সিঙ্গাপুরে কভিড নিয়ন্ত্রণে। এ রকম কোনো একটি বিষয় নিশ্চয়ই আইপিএলে রয়ে গিয়েছিল। কোনো একটি জায়গায় হয়তো নজরটা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেওয়া হয়নি।” তাই লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতারই প্রস্তুতি বিসিবির, ‘আসন্ন সিরিজে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ আমরা সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করেছি বলেই যে তৃপ্তির ঢেকুর তুলব, সেই সুযোগ নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ সব বিষয়ে আমাদের আরো আগ্রাসী হতে হবে। কারণ সামনে আমাদের দেশে বড় বেশ কয়েকটি সিরিজও আছে। তাই যতটুকু সম্ভব নিরাপত্তা বাড়াতে হবে।’ সেই সঙ্গে নিজাম উদ্দিন আরো যোগ করেছেন, ‘কোনো ঢিলেমি করার সুযোগ নেই। ভুল থেকেই সবাই শেখে। সব দেশের জন্যই একই সতর্কতা প্রযোজ্য। আগে যেসব বিষয়ে আমাদের মনে হয়েছে আরো সতর্ক হওয়া দরকার, সেগুলোতেও এবার সর্বোচ্চ সতর্কতা থাকবে। যেমন আমরা আগে টিম, টিম হোটেল ও ম্যাচ ভেন্যুর বিষয়েই বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেছি। এখন পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলোতেও একই রকম সর্বোচ্চ সতর্কতা রাখতে হবে। স্টেডিয়ামের ভেতরেই আমাদের অফিস। এখানে চলাচল আরো সীমিত করে দিতে হবে। আরো নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।’ অর্থাৎ ১৬ মে শ্রীলঙ্কা দল ঢাকায় পা রাখার আগে থেকেই ‘হোম অব ক্রিকেট’ মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের অভ্যন্তরে চলাচলে যে আরো কড়াকড়ি আরোপ হতে চলেছে, নিশ্চিত করেই বলা যায় তা।



সাতদিনের সেরা