kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

সাইফকে হারিয়ে মোহামেডানের প্রতিশোধ

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৬ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাইফকে হারিয়ে মোহামেডানের প্রতিশোধ

ফিরতি লেগে দুর্দান্ত খেলছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আগের ম্যাচে আরামবাগকে ২-১ গোলে হারিয়ে লেগ শুরু করা ঐতিহ্যবাহী দলটি কাল সাইফ স্পোর্টিংকে হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। প্রথমার্ধে সমান সমান লড়াইয়ের পর শন লেনের দল দ্বিতীয়ার্ধে চমত্কার খেলে ২-১ গোলে সাইফ স্পোর্টিংকে হারিয়ে প্রথম লেগে হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়েছে। প্রথম লেগে সাইফ স্পোর্টিংয়ের কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল মোহামেডান। প্রতিশোধের ম্যাচ জিতে তারা ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে।

অন্য ম্যাচে শেখ জামাল শুরুতে পিছিয়ে পড়েও মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। জয়ের ধারায় আছে তারাও। আগের ম্যাচেই চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়েছে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলটি। চট্টগ্রাম আবাহনী কাল চার্লস দিয়েরের একমাত্র গোলে হারিয়েছে আরামবাগকে। শেখ জামালের বিপক্ষে সোহেল রানার গোলে মুক্তিযোদ্ধা এগিয়ে গিয়েছিল অষ্টম মিনিটেই। বিরতির পর ওতাবেক ম্যাচে সমতা ফেরান। এর মিনিট দশেক পর সোলায়মান সিল্লাহ করেন ২-১।

ক্লাবের নতুন সাংগঠনিক নেতৃত্বের হাওয়া লেগেছে মোহামেডানের মাঠের খেলায়ও। মাঠে দাপট দেখিয়েছে তারা। তবে ১৫ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত সাইফ স্পোর্টিংই। ডান দিক দিয়ে ইকেচুকে কেনেথ ঢুকে পড়েন সাদা-কালো ডিফেন্ডার মনজির কৌলিদিয়াতিকে পরাস্ত করে সামনে এগিয়ে যান। কিন্তু ওয়ান টু ওয়ানে গোলরক্ষক সুজনকে হারাতে পারেননি।

২৪ মিনিটে মোহামেডানের নতুন ফরোয়ার্ড ইয়াসানও বল পেয়ে হেড পোস্টে রাখতে পারেননি। ৩৫ মিনিটে সাইফের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড কেনেথ সাদা-কালো ডিফেন্ডারের পা থেকে বল কেড়ে নিয়েও মারেন উড়িয়ে।

এভাবে গোল মিসের মহড়া দেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সাদা-কালোর আক্রমণের ধার বাড়ে। সুলেমানে দিয়াবাতের হেড গোলরক্ষকের গ্লাভস ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে না ফিরলে শুরুতেই তারা গোল পেয়ে যায়। গোলের সেই অপেক্ষা ফুরোয় ৫২ মিনিটে। বাইলাইন থেকে দিয়াবাতের ক্রসে ইভানের ফ্লিক গোলরক্ষক পাপ্পু ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বলে জালে ঠেলে ঢাকায় গোলের খাতা খোলেন ইয়াসান। মিনিট তিনেক বাদেই ব্যবধান বড় করার সুযোগ পেলেও দিয়াবাতের শট সেভ করেন পাপ্পু। ৬৫ মিনিটে আবার ইয়াসান বল জালে জড়ালেও অফসাইডের ঝাণ্ডায় তা বাতিল হয়ে যায়। ৬৯ মিনিটে সমতায় ফেরে সাইফ। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা জন ওকোলিকে তিন ডিফেন্ডার মিলেও আটকে রাখতে পারেননি। তাঁদের ভেতর দিয়ে বাড়ানো পাসে মারাজ হোসেন দুর্দান্ত শটে ম্যাচে ফেরান দলকে। ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকে মোড় নেয় তখন দিয়াবাতে দুর্দান্ত এক গোল করে এগিয়ে নেন মোহামেডানকে। জাফর ইকবালের থ্রু পাস ধরে মালির এই ফরোয়ার্ড কোনাকুনি শটে বল সাইফের জালে জড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত এক জয় উপহার দেন মোহামেডানকে। সুবাদে তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে হয় ১২। 

আরামবাগের বিপক্ষে ম্যাচে ৭৮ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে একমাত্র গোলটি করেছেন চট্টগ্রাম আবাহনীর আইভরিয়ান ফরোয়ার্ড। এর মিনিট পাঁচেক বাদেই আরামবাগ ডিফেন্ডার শাহেদ মিয়ার হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পেয়েও অবশ্য ব্যবধান বাড়াতে পারেননি তিনি। প্রথম দফায় শট জালে জড়ালেও সেটা রেফারি বাতিল করে দেন। এরপর দ্বিতীয় শটটা তিনি মিস করেছেন।



সাতদিনের সেরা