kalerkantho

শনিবার । ২৫ বৈশাখ ১৪২৮। ৮ মে ২০২১। ২৫ রমজান ১৪৪২

হিথ স্ট্রিক ইস্যুতে সতর্ক বিসিবি

১৬ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : তাঁর কোচিংয়ে বাংলাদেশের পেস বোলিং বিভাগে উন্নতি ছিল লক্ষণীয়, কিন্তু কে জানত যে সবার অলক্ষ্যে জুয়াড়ির সঙ্গেও হিথ স্ট্রিকের নিবিড়ভাবে জড়ানোর শুরুটাও এই বাংলাদেশেই? আট বছরের জন্য তাই আইসিসি নিষিদ্ধ করেছে জিম্বাবুয়ের সাবেক এই অধিনায়ককে। জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ারও পাঁচ বছর পর এমন খবরে প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষেত্রে অবশ্য সতর্ক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সংস্থার প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী যেমন বিধি-নিষেধের আড়াল খুঁজতে চাইলেন, ‘দেখুন, সদস্য দেশগুলোকে এজাতীয় বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শই দেওয়া থাকে।’

যদিও এই ঘটনায় এখন থেকে বিদেশি কোচ নিয়োগে আরো বেশি সতর্কতার দাবি উঠতে বাধ্য। কারণ জাতীয় দলই শুধু নয়, অন্যান্য দলেও কোচিং স্টাফের বেশির ভাগ সদস্যই বিদেশি। তবে নিজাম উদ্দিন এ ক্ষেত্রে নিজেদের সীমাবদ্ধতাই তুলে ধরলেন, ‘আমরা কোচ নিয়োগ দিই কারো ক্যারিয়ার এবং কোচিং ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর ভিত্তি করে। এখানে ব্যক্তির ভেতরে কী আছে, সেটি তো আগেভাগে দেখে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। স্ট্রিক যেমন আরো পাঁচ বছর আগে আমাদের এখানে কাজ করেছেন। এত দিন পর আমরা জানলাম যে তিনি এ রকম একটি কাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।’ আগে থেকে এসব জানার উপায়ও দেখেন না তিনি, ‘আমরা একটি ক্রীড়া ফেডারেশন। আমরা পুলিশও নই, গোয়েন্দা সংস্থাও নই। কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা ব্যক্তির ইমেজকে প্রাধান্য দিই। যেমন আমরা কোর্টনি ওয়ালশকে নিয়েছিলাম। ভেট্টোরিকে নিয়েছি। তবে হ্যাঁ, এসব ক্ষেত্রে এক বোর্ডের সঙ্গে আরেক বোর্ডের তথ্য আদান-প্রদান হয়ে থাকে। আগেও হতো, সামনেও হবে। স্ট্রিককে নেওয়ার সময় তো জিম্বাবুয়ের বোর্ডের কাছ থেকে আমরা ও রকম কিছু জানিনি। এটিই স্বাভাবিক। কারণ তারাও ক্রীড়া ফেডারেশনই। কাজেই ক্রিকেটের আড়ালে কেউ ব্যক্তি স্বার্থে কিছু করছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করে নেওয়ার কোনো সুযোগ আমাদের নেই। স্ট্রিক যা করেছেন, সেটি তাঁর ব্যক্তি স্বার্থেই করেছেন। বাংলাদেশের উপকারের জন্যও করেননি, জিম্বাবুয়ের জন্যও নয়।’



সাতদিনের সেরা