kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

তাঁর যাওয়া অনেক দায়িত্ব নিয়েই

১৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : ‘হেড অব ডেলিগেশন’ প্রথা মাঝখানে উঠেই গিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসানের সঙ্গে দলের যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন করার স্বার্থে নিউজিল্যান্ড সফর থেকেই সেটি ‘টিম লিডার’ নাম নিয়ে ফিরে এসেছে। যে সফরে এই দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুস। শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টের সফরে আরেক পরিচালক খালেদ মাহমুদ এই পদবি পেলেও নানা কারণেই দলে তাঁর অভিভাবকত্বের ছায়াটা আরো বড়ই হওয়ার কথা। কারণ লম্বা সময় ম্যানেজার হিসেবে তিনি যুক্ত ছিলেন জাতীয় দলের সঙ্গে। একসময় ছিলেন সহকারী কোচও। ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগের ‘সেতু’ও এমন মজবুত যে বাজে সময়ে দলে মাহমুদ অনুপ্রেরণার সঞ্চার করতে পারবেন বলেও মনে করা হচ্ছে।

মাহমুদ নিজেও সেরকম কিছু করার মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই গেছেন শ্রীলঙ্কায়। গতকাল দুপুরে দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে সে কথা বলেও গেলেন, ‘আমার নিজস্ব আইডিয়া আছে, আছে নিজস্ব চিন্তাভাবনাও। ওদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয়, আমি তা জানি। সবাই আমার কাছে পুরনো, নতুন কেউ নেই। সবার সঙ্গেই আমি কোনো না কোনোভাবে কাজ করেছি। সুতরাং আমি চেষ্টা করব আমার পন্থা অবলম্বন করতে। আশা করি ভালো কিছুই (দলের জন্য) করতে পারব।’

২০১৫-র বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার ছিলেন মাহমুদ। ২০১৭-র শ্রীলঙ্কা সফরে নিজেদের ইতিহাসের শততম টেস্টে জেতার সময়ও তিনি ছিলেন একই ভূমিকায়। এবার অবশ্য আরো কিছু দায়িত্বও তাঁর সঙ্গী। বাজে পারফরম্যান্সে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে এরই মধ্যে। তবু কঠোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই টেস্ট সিরিজটি দেখে নিতে চায় বিসিবি। দেখার অপেক্ষা আছে আগামী মাসে দেশের মাটিতে লঙ্কানদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটিও। এবার কাছ থেকে দেখে ডমিঙ্গোকে নিয়ে মাহমুদের বিশ্লেষণও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যদিও মাহমুদ কয়েক দিন আগে বলেছেন, বাজে পারফরম্যান্সের দায় ক্রিকেটারদেরও আছে। কে বেশি দায়ী? কোচ না খেলোয়াড়রা? শ্রীলঙ্কা সফরে মাহমুদ সেটিও কাছ থেকে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। দেশ ছাড়ার আগে অবশ্য এসব নয়, বরং গত কিছুদিনে মুঠো গলে ম্যাচ বেরিয়ে যাওয়ার দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর প্রতিই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মাহমুদ, ‘অবশ্যই আমরা জিততে চাই। খেলতে চাই সেরা ক্রিকেটও। যারা ভালো খেলবে, অবশ্যই তারা জিতবে। পাঁচ দিনের খেলা, সেশন ধরে ধরে এগোতে হবে। চট্টগ্রাম টেস্টে (ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) আমরা চার দিন চড়ে বসে থেকেও হেরে গিয়েছি। এমনটি আর চাই না। লম্বা সময় মনোযোগ ধরে রাখতে হবে।’