kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

এএফসি কাপের জন্য তৈরি কিংস

১৩ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : বসুন্ধরা কিংসের কোচিং স্টাফরা দেখেছেন প্রতিপক্ষের খেলা। খোঁজখবর নিয়েছেন মোহনবাগান ও মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাব নিয়ে। এরপর ক্লাবের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোন জানাচ্ছেন, ‘এএফসি কাপ আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। আমাদের লক্ষ্য বড়, তবে খুব কঠিন লড়াই হবে।’

গত এএফসি কাপের সব প্রস্তুতি সেরেও তার একটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেনি। ঢাকায় মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে শুরু করার পর করোনায় বাতিল হয়ে যায় টুর্নামেন্ট। এবারও করোনার চোখ-রাঙানি আছে, তবে ‘ডি’ গ্রুপের সব ম্যাচ হবে মালদ্বীপে। আগামী ১৪ মে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নরা প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাবের। ১৭ তারিখ দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে, তবে তার প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রিলিমিনারি রাউন্ড উত্তীর্ণ হওয়া কোনো দলের সঙ্গে খেলতে হবে। ২০ মে শেষ ম্যাচে হবে কলকাতা মোহনবাগানের সঙ্গে।

তাদের হিসাব এখন মোহনবাগান ও মাজিয়াকে ধরেই। ব্রুজোন এবং তাঁর সঙ্গী-সাথিরা মিলে দুই দলের খেলা বিশ্লেষণ করেছেন ম্যাচ ভিডিও দেখে। খোঁজখবর নিয়ে জেনেছেন দুটি দলই এএফসি কাপ উপলক্ষে খেলোয়াড় পরিবর্তন করেছে, নিয়েছে নতুন বিদেশি। তাই তাঁরা মনে করছেন, দুই দল কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে বসুন্ধরা কিংসকে। তবে ক্লাব কোচিং করানোর সুবাদে মালদ্বীপের পরিবেশ চেনা অস্কার ব্রুজোনের। তাঁর প্রত্যাশা, ‘আমাদের খেলোয়াড়রা ওখানে ভালো খেলবে। দলটায় ভারসাম্য আছে, তারা পরিশ্রম করছে। সেরা ফুটবল খেলার জন্য তারা তৈরি হচ্ছে।’ নতুন চার বিদেশিতে কিংস এই মৌসুমে চমৎকার খেলছে। প্রথম লেগ শেষে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রবসন রবিনহো ১২ গোল করে শীর্ষে আছেন প্রিমিয়ার লিগে, আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার বেতেরা করেছেন ১১ গোল। এএফসি কাপ তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। লকডাউনের আগেই কিংসের বিদেশিরা ঢাকায় পৌঁছে গেছেন।

দেশি ফুটবলাররাও তৈরি এএএফসি কাপের চ্যালেঞ্জ নিতে। জাতীয় দলে খেলে ইনজুরিতে পড়া দুই ফুলব্যাক বিশ্বনাথ ও রিমন সুস্থ হওয়ার পথে। তাই ক্লাবও আর বিকল্প চিন্তা করছে না। এরই মধ্যে দলে নিয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাতারি ওবায়দুর রহমান নবাবকে।

বসুন্ধরা কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান জানিয়েছেন, ‘আমরা আগামী মাসের ৭ তারিখ দল পাঠিয়ে দিতে চাই, যেন ওখানে সপ্তাহখানেক ট্রেনিং করতে পারে। কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না, এটা  একটা সুবিধা। তবে মনে হচ্ছে, প্রতিদিনই করোনা পরীক্ষা করাতে হবে খেলোয়াড়দের।’