kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

থামল হাজার গোলের যাত্রা

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৮ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



থামল হাজার গোলের যাত্রা

ফুটবলার, ক্রিকেটার, ভলিবল ও হ্যান্ডবল খেলোয়াড়—অনেক পরিচয় ডালিয়া আক্তারের। ছিলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়কও। তবে নিজেকে হ্যান্ডবলের ভাবতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ডালিয়া। নব্বইয়ের দশকে মাদারীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে তাঁর পথচলার শুরু। গতকাল ঘরোয়া হ্যান্ডবলে বাংলাদেশ গেমসে শেষটাও হলো মাদারীপুর জেলার জার্সিতে খেলে।

সাবেক খেলোয়াড়, কোচ, কর্তাসহ আরো অনেকে শহীদ ক্যাপ্টেন (অব.) মনসুর আলী স্টেডিয়ামে সাক্ষী হতে এসেছিলেন ডালিয়ার বিদায়ি ম্যাচের। বাংলাদেশ পুলিশ ও মাদারীপুরের খেলোয়াড়রা সম্মান জানান সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে। ফেডারেশন কর্তারা পরিয়ে দেন ফুলের মালা। বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে চোখের জল মুছতে মুছতে এই তারকা বলছিলেন, ‘আমার জন্য এটা বিশেষ দিন। জাতীয় দলে ১৮ বছর খেলে অবসর নিয়েছিলাম ২০১৮ সালে। ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে এখন থেকে আর ঘরোয়া হ্যান্ডবলও খেলব না। তবে হ্যান্ডবলের ডালিয়া হ্যান্ডবলেই থাকবে।’

অসমর্থিত সূত্র মতে ডালিয়ার ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল এক হাজারের বেশি! পুলিশের বিপক্ষে বিদায়ি ম্যাচটি হারলেও মজা করলেন সংখ্যাটা নিয়ে, ‘হাজারের বেশি গোল তো হবেই। আসলে হ্যান্ডবলে অনেক গোল হয়। দেখা গেল আমাদের দল ৪২ গোল দিয়েছে, এর ১৮টিই আমার।’ আরো একটা পরিচয় আছে ডালিয়া আক্তারের। বাংলাদেশের পুরুষ কোনো দলের প্রথম নারী কোচ ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে ২৭তম জাতীয় হ্যান্ডবলে ছিলেন ঢাকা জেলার কোচ।

এরপর নিয়মিত কোচিং করিয়েছেন পুরুষদের আরো কয়েকটি দলের। অবসরের পর কোচিংয়েই বেশি সম্পৃক্ত হতে চান ডালিয়া, ‘হ্যান্ডবল ফেডারেশন আমাকে ছেলে বা মেয়ে যে দলেরই কোচিং করানোর সুযোগ দেবে, আমি সেই দলেই যাব। খেলোয়াড় তো খেলোয়াড়ই। আমাকে দিয়ে হ্যান্ডবলের একটা যুগের সূচনা হয়েছে। মানুষের মানসিকতারও বদল হচ্ছে। সাউথ ব্রিজ স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি এখন। অবসর নেওয়ায় আমি চাই পুরো নারী ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করতে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা