kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

মনোযোগ নিজেদের শক্তি আর দুর্বলতায়

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মনোযোগ নিজেদের শক্তি আর দুর্বলতায়

আর মাত্র দু-একটি দিন। কভিড নেগেটিভ হলেই স্বাভাবিক জীবন যাপনে বাধা নেই কোনো। ক্রাইস্টচার্চে কোয়ারেন্টিনের শিকলে বাঁধা বাংলাদেশ দল প্রহর গুনছে সেই মুক্ত জীবনেরই। তখন পাঁচ দিনের অনুশীলন শিবির করতে দল চলে যাবে কুইন্সটাউনে। ২০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে আসল প্রস্তুতি হবে সেখানেই। এর আগে পাঁচজনের একেকটি গ্রুপের জন্য দিনপ্রতি দুই ঘণ্টা সময়ই কাজে লাগাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। নিউজিল্যান্ডে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার পরও অধরা থেকে যাওয়া জয়ের দেখা পাওয়ার ছক কাটাও চলছে। যদিও দলের কারোরই অজানা নয় যে কিউইদের মাটিতে তাদের হারানোর চ্যালেঞ্জটি ‘দুর্গম গিরি’র মতোই।

বিশেষ করে কভিড-পরবর্তী ক্রিকেটে নিজেদের ডেরায় যেন নিউজিল্যান্ড আরো অপ্রতিরোধ্যই। এই তো কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে ৩-২ ব্যবধানে। এর আগে টেস্টে পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করা কিউইরা ওই দুই দলকে হারিয়েছে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। তারা কাকে বিধ্বস্ত করল নাকি উড়িয়ে দিল, সে কথা ভেবে অবশ্য রাতের ঘুম হারাম করতে নারাজ মাহমুদ উল্লাহ। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বরং নিজেদের শক্তি এবং দুর্বলতায় মনোযোগ দেওয়ারই জোর তাগিদ দিলেন। বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি আগ্রাসী মনোভাবেই সাফল্যের রসায়ন খুঁজতে চেয়েছেন, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। আমাদের জন্য সহজ হবে না। দল হিসেবে তিন বিভাগেই আমাদের পারফরম করতে হবে। নিউজিল্যান্ড দল খুব ভালো ছন্দে আছে। মাত্রই অস্ট্রেলিয়াকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারালো। তবে এই কথা মাথায় না রেখে যদি নিজেদের শক্তি আর দুর্বলতার জায়গাগুলোতে আমরা মনোযোগ দিতে পারি, তাহলেই আমাদের জন্য ভালো। আমি মনে করি, আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার মন-মানসিকতা থাকলে আমরা ভালোই করব।’

নিউজিল্যান্ডে মাহমুদ নিজেও ব্যাট হাতে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পারফরমার। সেখানে তাঁর তিন-তিনটি সেঞ্চুরি। কাকতালীয়ভাবে এর সব কয়টিই হ্যামিল্টনে। দুটি টেস্ট সেঞ্চুরির সঙ্গে ২০১৫-র বিশ্বকাপেও একই মাঠে কিউইদের বিপক্ষে ভেসেছিলেন সেঞ্চুরির আনন্দে। এবার তিন ম্যাচে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার আগে ওয়ানডেতেও বড় ভূমিকা রাখার আছে মাহমুদের। তিনি নিজেও প্রস্তুতি নিচ্ছেন সে লক্ষ্যেই, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি যত দ্রুত সম্ভব উইকেট বোঝার এবং এর বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। কারণ এসব উইকেটে বাউন্স সমান থাকে। বাউন্স আর গতি কেমন, তা বুঝে মানিয়ে নেওয়াটা জরুরি। সব সময় সেই চেষ্টাই থাকে এবং অপেক্ষা করি বাজে বলের জন্য। আমার মনে হয় বেসিক ক্রিকেট খেলাটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। মৌলিক কাজগুলো ঠিকঠাক করলে ফল ভালো হবে বলে আশা রাখি।’

মন্তব্য