kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

গোলে গোলে পুলিশের জাল বুনল রাসেল

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গোলে গোলে পুলিশের জাল বুনল রাসেল

বড় জয় পেয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। অনেক দিন পর সাইফুল বারীর দল দুর্দান্ত এক ম্যাচ খেলে গোলের কামান দেগেছে পুলিশের জালে। ৫-০ গোলের বড় জয়ে তারা ১২ ম্যাচে ষষ্ঠ জয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। দিনের অন্য ম্যাচে আবাহনী কোনো রকমে ২-১ গোলে হারিয়েছে উত্তর বারিধারাকে। ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা ১২ ম্যাচে সপ্তম জয় নিয়ে ২৫ পয়েন্ট পাওয়ার সুবাদে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

পুলিশের বিপক্ষে ম্যাচটায় শেখ রাসেল যে এমন একাধিপত্য করবে, সেটা হয়তো নিজেরাও ভাবেনি। ম্যাচের শুরু থেকে অন্য মেজাজে রাসেল ছয় মিনিটে লিড নেয়। হাবিবুর রহমান নোলকের লম্বা থ্রো-ইনে দুর্দান্ত হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন নাইজেরিয়ান ওবে মোনেকে। পিছিয়ে পরেও পুলিশ জেগে উঠতে পারেনি। শেখ রাসেল দাপট ধরে রেখে ২৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিলিয়ান জিয়ান কার্লো লোপেজের কোনাকুনি শটে। তার ছয় মিনিট বাদে আবার আরেক গোল! বাঁ-দিক থেকে খালেকুরজামানের ক্রসে আবদুল্লাহর হেড জালে জড়িয়ে গেলে রাসেল বিরতিতে যাওয়ার আগেই জয় নিশ্চিত করে ফেলে অনেকখানি।

বিরতির পর সেই দাপটে মৌসুমে নিজেদের সেরা ম্যাচ উপহার দেয় রাসেল। ৬৯ মিনিটে ডান দিক থেকে আবদুল্লাহর ক্রসটি গ্রিপ করতে গিয়ে গোলরক্ষক সাইফুল ইসলাম নিজের জালে বল জড়িয়ে দিলে ব্যবধান ৪-০ হয়। সুবাদে আবদুল্লাহর হয় জোড়া গোল। একদিক ডাগ আউটে দাঁড়িয়ে পুলিশ কোচ পাকির আলী চেঁচাতে থাকেন, অন্যদিকে মাঠে চলে তাঁদের গোল খাওয়ার প্রতিযোগিতা। সেটা থামে ৮৩ মিনিটে আসরোভের গোলে। শেষ পর্যন্ত  ৫-০ গোলে হারের বড় লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়ে পুলিশ এফসি।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দিনের অন্য ম্যাচে চট্টগ্রাম প্রথমার্ধে দাপটে খেলেও শেষ মুহূর্তে ভীষণ চাপে পড়ে যায় উত্তর বারিধারার ঝাঁজালো আক্রমণে। ১৭ মিনিটেই আকাশি-নীলরা গোল পেতে পারত। সাদউদ্দিনের ক্রসে হাইতিয়ান বেলফোর্টের হেড ফিরিয়ে দিয়েছেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা। আট মিনিট বাদেই তারা পেনাল্টি আদায় করে নেয়। জুয়েল রানার ডান দিক দিয়ে তুমুল গতিতে ঢুকতে গেলে সোহেল ফাউল করে পেনাল্টির বিপদ ডেকে আনেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে তোরেস এগিয়ে নেন আবাহনীকে। এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের সামনে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে। বেলফোর্টের চমৎকার বানিয়ে দেওয়া বলটি জালে পাঠাতে পারেননি তোরেস। তবে ৫৪ মিনিটে বারিধারার উজবেক ডিফেন্ডার সাইদোস্তন ফজিলভের আত্মঘাতী গোলে তারা ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। এরপর অন্তত আরো দুটি চমৎকার সুযোগ নষ্ট করেন দুই ব্রাজিলিয়ান রাফায়েল আগুস্তো ও তোরেস। এরপর বারিধারার চাপে আবাহনীর রক্ষণ ভেঙে পড়ে। ৯০ মিনিটে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন বারিধারার মিসরি আবদেল রহিমের কাছে।

মন্তব্য