kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

রোবিনহোয় মুগ্ধ লামোসও

১ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোবিনহোয় মুগ্ধ লামোসও

‘রোবিনহো আবাহনীর খেলোয়াড়দের সঙ্গে নয়, যেন বাচ্চাদের সঙ্গে খেলেছে! ও অন্য লেভেলের। দু-তিনজন খেলোয়াড় ওর সঙ্গে দিয়ে দিলেও লাভ নেই, ঠিকই ড্রিবলিং করে বেরিয়ে যায়। আমি বলব অন্যদের সঙ্গে মূল পার্থক্যটা গড়ে দিচ্ছে রোবিনহোই’—বক্তার নাম মারিও লেমোস। বসুন্ধরা কিংসের কাছে ৪-১ গোলে হারার পর এভাবেই কিংসের ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের বন্দনা ঝরেছে তাঁর কণ্ঠে।

অথচ রোবিনহো এদিন কোনো গোলই করেননি। যদিও লিগের এখন পর্যন্ত যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। অর্থাৎ পরিসংখ্যানে তাকালেও রোবিনহো, না তাকালেও তিনিই। ফ্লুমিনেন্স থেকে ধারে বসুন্ধরা কিংসে খেলতে আসা ব্রাজিলিয়ানকে ইউরোপীয় মানের বলতেও তাই দ্বিধা করেননি আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ। অথচ তাঁর দলেও দুজন ব্রাজিলিয়ান আছেন। কিন্তু কেউই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো নন। তাই ১১ ম্যাচে দলটির চার ড্র। কিংসের সামনে পড়ে হারের স্বাদও নিতে হলো। তাও একরকম অসহায়ভাবে। রোবিনহোকে বাদ দিয়েও দুই দলের তুলনা করে হারটাকে বাস্তবতা বলেও মেনে নিয়েছেন তিনি, ‘ওরা আতিকুর রহমানকে বদলি নামায়, যে একসময় আবাহনীর অন্যতম সেরা পারফরমার ছিল। ওরা বদলি নামায় মতিন মিয়া, যে জাতীয় দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। আমাকে নামাতে হয় দীপ রায়, ওয়ালি ফয়সালকে। একজনের এই পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতাই তেমন নেই, আরেকজন নিজের সেরা সময়টা পেছনে ফেলে এসেছে।’

সেই দলের বিপক্ষে ১২ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে শিরোপা লড়াইয়ে একরকম ছিটকে গেছেন বলেই মনে করেন লেমোস। কিংস কোচ অস্কার ব্রুজোন যদিও আত্মতৃপ্তিতে ভোগার কোনো সুযোগ দেখছেন না, ‘দ্বিতীয় লেগের প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে গেলেই কিন্তু মনে হবে লিগটা ওপেন হয়ে গেছে। তাই এখনই উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের এখনো ছয়টি অ্যাওয়ে ম্যাচ বাকি আছে।’ তবে মানছেন আবাহনীর বিপক্ষে এই জয় তাদের সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে, ‘দ্বিতীয় লেগের ওদের বিপক্ষে ম্যাচটি কুমিল্লায় আমাদের ঘরের মাঠে, যেখানে আমরা নিজেদের খেলাটা খেলতে পারি আরো ভালো করে। এটা অবশ্যই তাই আমাদের পক্ষে যাবে।’ রোবিনহোকে নিয়ে প্রশ্নে অবশ্য দলের সবারই প্রশংসা ঝরেছে তাঁর কণ্ঠে, ‘জয়ে প্রত্যেকেরই সমান অবদান।’

মন্তব্য