kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

ভালো কিছুর আশায় রোচ

২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালো কিছুর আশায় রোচ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এবার বাংলাদেশে আগত ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের জ্যেষ্ঠতম পেস বোলার কেমার রোচ। তাঁর টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ২০০৯ সালে। বাংলাদেশ সিরিজ জিতলেও দুই টেস্টে ১৩ উইকেট নিয়েছিলেন রোচ। এরপর দুইবার বাংলাদেশে ঘুরে যাওয়ার কারণে জানেন এখানকার কন্ডিশন পেসারদের জন্য অনুকূল নয়। জানেন বলেই আসন্ন দুই টেস্টের সিরিজে নিজেদের বোলিং পরিকল্পনাও ভিন্ন হবে বলে গতকাল জানিয়েছেন কেমার রোচ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ইনিংসে পাঁচ বা এর অধিক উইকেট রোচের আছে তিনবার। এর মধ্যে ক্যারিয়ারসেরা ৪৮ রানে ৬ উইকেট নেন অভিষেক সিরিজেই। সব মিলিয়ে আট টেস্টে ১৯.৭৮ গড়ে ৩৩ উইকেট এ বার্বাডিয়ানের। অথচ বাংলাদেশে খেলা তিন টেস্টে রোচের শিকার মাত্র চারটি! উইকেটে তো আর ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের মতো প্রাণ নেই। স্বাগতিকের সুবিধা নিয়ে স্পিন সহায়ক উইকেটেই ক্যারিবীয়দের সামলেছে বাংলাদেশ। এবারও এর ব্যত্যয় ঘটবে না বলে ধারণা রোচের, ‘এখানে দুইবার খেলে গেছি। আর উপমহাদেশের উইকেটে পেসারদের জন্য বেশি কিছু থাকেও না। তবে আমাদের একটা পথ খুঁজে বের করতে হবে। নির্দিষ্ট একটা ছক অবশ্যই আছে।’ সেটি কী, খোলাসা করে না বললেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি, ‘ব্যাটসম্যানকে ফ্রন্টফুটে খেলাতে হবে।’ তাতে যদি মুভমেন্টের ফাঁদে ফেলা যায় তামিমদের। ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের অসমান বাউন্সের উইকেটে যে ফাস্ট বোলারদের খাটো লেন্থের বলও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ব্যাটসম্যানদের জন্য—সেটি অবশ্য বলেননি রোচ। ২০১৬ সালে ঢাকায় যুব বিশ্বকাপ জিতে যাওয়া আলজারি জোসেফকে নিয়ে আশার কথাও শুনিয়েছেন তিনি।

অবশ্য স্পিনবান্ধব উইকেটে ঘূর্ণিঝড় তোলার অস্ত্র আছে ক্যারিবীয়দেরও। ওয়ানডেতে আকিল হোসেন স্বস্তি দেননি ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ী বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। টেস্টে একই আশায় বুক বেঁধেছেন অফস্পিনার রাকিন কর্নওয়াল, ‘অনেক দিন আগে বাংলাদেশে এসেছি। লম্বা সময় ধরে নেওয়া প্রস্তুতি অবশ্যই কাজে দেবে। তা ছাড়া আমাদের টেস্ট দলটা ওয়ানডের চেয়ে অভিজ্ঞতায় এগিয়ে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা