kalerkantho

রবিবার। ২২ ফাল্গুন ১৪২৭। ৭ মার্চ ২০২১। ২২ রজব ১৪৪২

দেনায় জর্জরিত বার্সাই আয়ে সেরা

২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেনায় জর্জরিত বার্সাই আয়ে সেরা

করোনায় ক্ষতি বেড়েই চলেছে ইউরোপিয়ান ফুটবলে। গতকাল প্রকাশিত ‘দ্য ডিলোইট ফুটবল মানি লিগ’-এর জরিপ বলছে, ২০২০-২১ মৌসুম শেষে সেরা ২০ ধনী ক্লাবের সম্মিলিত আয় কমবে দুই বিলিয়ন ইউরো বা ১.৭ বিলিয়ন পাউন্ড। ২০১৯-২০ মৌসুমেও যথেষ্ট আয় কমেছে এই ২০ দলের। সব মিলিয়ে অঙ্কটা ৯৭৬ মিলিয়ন পাউন্ড বা হাজার মিলিয়ন ইউরোর বেশি।

বার্সেলোনা বেশ ভুগছে করোনার সময়টায়। ফুটবলারদের বেতন কমাতে হয়েছে বড় অঙ্কের। গতকাল জানা গেল অন্য ক্লাব থেকে কিনে আনা ১৯ ফুটবলারের ট্রান্সফারের ১২ কোটি ৬০ লাখ ইউরো এখনো পরিশোধ করতে পারেনি কাতালানরা! যেমন—নানা শর্ত মিলিয়ে ফিলিপে কৌতিনিয়োকে লিভারপুল থেকে তারা কিনেছিল ১৬ কোটি ইউরোয়। লিভারপুল সেই ট্রান্সফার থেকে এখনো বার্সার কাছে পাবে দুই কোটি ৯০ লাখ ইউরো। ফ্রাংকি ডি ইয়ংয়ের জন্য আয়াক্সের পাওনা বাকি এক কোটি ৬০ লাখ ইউরো। বোর্দো থেকে বার্সায় যোগ দেওয়া ব্রাজিলিয়ান ম্যালকম গেছেন জেনিতে। তবু বোর্দোর পাওনা বকেয়া এক কোটি ইউরো!

এমন দেনায় জর্জরিত বার্সাই কিনা ২০১৯-২০ মৌসুমে আয় করেছে সবচেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে অঙ্কটা ৬২৭.১ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৭১৫.১ মিলিয়ন ইউরো। প্রথম ক্লাব হিসেবে ২০১৮-১৯ মৌসুমে ৮০০ মিলিয়ন ইউরোর মাইলফলক পেরিয়েছিল কাতালানরা। সেখান থেকে করোনায় আয় কমেছে অনেকটাই। ৬২৭ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৭১৪.৯ মিলিয়ন ইউরো আয় নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। দর্শকহীন গ্যালারিতে খেলা হওয়ায় আয় কমেছে তাদেরও। তবে সুখবর হচ্ছে গত মৌসুমে লা লিগা জেতায় বাণিজ্যিক আয় বেড়েছে ৮ শতাংশ। অথচ চ্যাম্পিয়নস লিগ, বুন্দেসলিগা আর জার্মান কাপ জিতেও করোনার থাবায় আয় কমেছে বায়ার্ন মিউনিখের। ৫৮১.৮ মিলিয়ন পাউন্ড থেকে কমে গত মৌসুমে বায়ার্নের আয় দাঁড়ায় ৫৫৬ মিলিয়ন পাউন্ড।

‘দ্য ডিলোইট ফুটবল মানি লিগ’-এর জরিপে আয়ে সেরা পাঁচের অপর দুই ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও লিভারপুল। ম্যানইউর ২০১৯-২০ মৌসুমে আয় ৫৮০ মিলিয়ন ইউরো আর লিভারপুলের ৫৫৮ মিলিয়ন ইউরো। বিবিসি

মন্তব্য