kalerkantho

সোমবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭। ১ মার্চ ২০২১। ১৬ রজব ১৪৪২

জয়ে শুরু শেখ জামালের

১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জয়ে শুরু শেখ জামালের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ফেডারেশন কাপের পর দুই দলের চেহারা দুই রকম দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রাম আবাহনী পারেনি মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্টের মানে পৌঁছাতে আর সাম্প্রতিক অতীতকে ছাড়িয়ে যাওয়া পারফরম্যান্স শেখ জামাল ধানমণ্ডির। সে অনুযায়ীই শুরু হয়েছে তাদের লিগ অভিযান। চট্টগ্রাম আবাহনীকে ২-১ গোলে হারিয়ে শুরু করেছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি।  

গতকাল ফেডারেশন কাপের পারফরম্যান্সের ধারে-কাছে ছিল না চট্টগ্রাম আবাহনী। টুর্নামেন্ট সেমিফাইনালিস্টদের ভোঁতা আক্রমণের বিপরীতে শেখ জামাল খেলেছে উজ্জীবিত ফুটবল। বিশেষ করে তিনবারের লিগ চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগ ছিল অনেক গোছানো আর আক্রমণেও দুর্দান্ত। তারই সুফল পেয়েছেন শেখ জামাল কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক, ‘প্রথম ম্যাচ সব সময় কঠিন। আমরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে শুরু করেছি। মাঠে সবাই নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।’

ম্যাচের ২০ মিনিটে তারা এগিয়ে যেতে পারত। সেই যাত্রায় উজবেক মিডফিল্ডার ওতাবেকের ফ্রি কিকটি চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলরক্ষক নাঈম ও পোস্টে ঠেকে গেছে। ৩৩ মিনিটে কাউন্টারে মানিক মোল্লার স্কয়ার পাসে আবাহনীর নিক্সন গুয়েলের্মোকে গোল হাতছানি দিলেও এই ব্রাজিলিয়ানের দুর্বল শট গোলরক্ষক জিয়াকে পরাস্ত করতে পারেনি। নামে ব্রাজিলিয়ান হলেও তাঁর পায়ে সেরকম কিছু দেখা যায়নি, উল্টো বারবার দুর্বল শটে পায়ের অপুষ্টি চোখে পড়েছে! ৭৬ মিনিটে দুই ডিফেন্ডারের মাঝে বল নিয়ন্ত্রণ করে শেষমেশ বল তুলে দিয়েছেন জামাল গোলরক্ষক জিয়াউর রহমানের হাতে। শেষে ৮৩ মিনিটে পেনাল্টি কিকে জাল খুঁজে পেয়েছেন নিক্সন।

কিন্তু তার আগেই ম্যাচ জেতার মতো সব আয়োজন সেরে ফেলেছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি। বিরতিতে যাওয়ার আগেই তারা লিড নেয়। অবশ্য ৪০ মিনিটের ফ্রি কিক গোলে ভাগ্যের প্রসন্নতাও ছিল। বক্সের বাইরে ওতাবেকের কিকটি ওয়ালে দাঁড়ানো নিক্সনের গায়ে লেগে গেলে সহজে পরাস্ত হন গোলরক্ষক নাঈম। বিরতি থেকে ফেরার মিনিট পাঁচেক পর চমৎকার এক মুভে ব্যবধান বাড়িয়ে দ্বিগুণ করে জামাল। মনির হোসেনের নিখুঁত ক্রসে নুরুল আবসারের লক্ষ্যভেদী হেডে চট্টগ্রাম আবাহনীর ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়। ৬২ মিনিটে ব্যবধান আরো বড় হতে পারত আনমার্কড ওতাবেকের শট নাঈম ফিরিয়ে না দিলে। এরপর নুরুল আবসারের ফিরতি শটও ঠেকিয়ে দেন এই গোলরক্ষক। দুই গোলে পিছিয়ে পড়া আবাহনী ব্যবধান কমায় ৮৩ মিনিটে পেনাল্টির সৌজন্যে। বক্সে মনির হোসেনের হ্যান্ডবলের সুবাদে ওই পেনাল্টি। এই একটি বড় ভুল ছাড়া আর কোনো খুঁত নেই শেখ জামালের খেলায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা