kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

জামালের প্রত্যাশা ১ পয়েন্ট!

সবাই জানে কাতার খুব শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে ১ পয়েন্ট পেলেও দেশের মানুষও খুশি হবে।

৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জামালের প্রত্যাশা ১ পয়েন্ট!

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কাতার ম্যাচের টার্গেট কী? জবাব দিতে গিয়ে জামাল ভূঁইয়াও একটু হেসে বলেন, ‘এই ম্যাচ থেকে অন্তত ১ পয়েন্ট চাই। সবাই জানে কাতার খুব শক্তিশালী দল, তাদের বিপক্ষে আমরা ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। তাদের বিপক্ষে ১ পয়েন্ট পেলেও দেশের মানুষও খুশি হবে।’ কিন্তু তাঁর হাসিতে কেমন ধন্দ লাগে! তিনি যে ১ পয়েন্টের প্রত্যাশা করেছেন, তা নিজে বিশ্বাস করেন কি না। গত অক্টোবরে ঢাকায় কাতারের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টিভেজা মাঠে সেই ম্যাচ হারলেও লাল-সবুজের দল গোল করারও সুযোগ তৈরি করেছিল। হারার পরও তাই মানুষের প্রশংসা পেয়েছিলেন জামাল ভূঁইয়ারা।

সেটা ছিল এক ভিন্ন বাস্তবতা। ঢাকায় বৃষ্টিভেজা মাঠে কাতারিদের অনভ্যস্ততা ছিল। খেলোয়াড়দের ফিটনেস, টেকনিক-ট্যাকটিসেও বাংলাদেশ দল ভালো অবস্থায় ছিল। করোনার পর এখন লাল-সবুজের অবস্থাও আগের মতো মজবুত নয়। গত মাসে নেপালের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেললেও বাংলাদেশের মাঝমাঠের দুরবস্থা সবার চোখে পড়েছিল। জামাল ভূঁইয়া ও মানিক মোল্লার পা থেকে দেখার মতো কোনো ফরোয়ার্ড ছিল না। দুটি ওয়ার্ম আপ ম্যাচেও কোনো উন্নতি নেই। কিন্তু আজ মধ্যমাঠ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে বল ধরে খেলতে না পারলে বা প্রতিপক্ষকে আটকে রাখতে না পারলে চাপে পড়বে রক্ষণভাগে। তখনই ঘটবে বিপদ। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার দাবি, ‘দলের অবস্থা এখন খুব ভালো। সবার ফিটনেস ভালো। ট্রেনিংয়ে আমরা ভুলগুলো শোধরানোর চেষ্টা করেছি। আমরা চাই একটি দল হিসেবে খেলতে যেন রক্ষণভাগের ওপর বেশি চাপ না পড়ে।’ সেই কাতারি চাপে শুরুতে গোল খেয়ে বসলে আর ম্যাচের লাগাম টানা কঠিন হয়ে যাবে। জেমি ডের দলের অবশ্য শুরুতে গোল খাওয়ার অভ্যাস নেই। আর সেই ধারাটা দোহায় জারি থাকলে লাল-সবুজের দল লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা পাবে।

করোনার বিপদ কাটিয়ে জেমি ডে পৌঁছে গেছেন দোহায় বাংলাদেশ দলের কাছে। এই ব্রিটিশ কোচ বোঝেন বাস্তবতা, ‘আমাদের ফুটবলাররা আট মাস খেলার বাইরে ছিল। গত মাস থেকে মাত্র ফুটবলে ফিরেছে, নেপালের সঙ্গে দুটি ম্যাচ ও দোহায় দুটি ওয়ার্ম আপ তাদের সম্বল। তাদের খেলায় ফেরার আগে ট্রেনিং এবং ম্যাচ প্র্যাকটিস যতটা দরকার ছিল, তা না পেলেও খেলোয়াড়রা সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। নেপালের সঙ্গে দুটি ম্যাচ ক্লিন শিট রেখেছে। এখানেও নিশ্চয়ই চেষ্টা করবে।’ বাংলাদেশের উল্টো দিকে কাতারে ঘরোয়া ফুটবল চলছে চার মাস ধরে। তারা খেলার মধ্যে আছে এবং বেশ কিছু প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। এখানেও পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ দলের কোচ তাই ম্যাচটি উপভোগের আহ্বান জানাচ্ছেন ফুটবলারদের, ‘তারা কৌশল মেনে নিজেদের সেরাটা দিলেই হবে। ম্যাচটি উপভোগ করুক তারা। এশিয়ার সেরা দলের সঙ্গে ওদের মাঠে নতুন অভিজ্ঞতা হবে তাদের।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা