kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

বার্সা বাধা কাটাল অ্যাতলেতিকো

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বার্সা বাধা কাটাল অ্যাতলেতিকো

লা লিগা, কোপা দেল রে জিতেছেন একবার করে। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে নিয়ে গেছেন দুইবার। তবে অ্যাতলেতিকোর কোচ হওয়ার পর লা লিগায় বার্সেলোনাকে হারাতে পারেননি ডিয়েগো সিমিওনে। সব মিলিয়ে টানা ১০ বছর লিগে কাতালানদের হারাতে পারেনি মাদ্রিদের ক্লাবটি। এক দশকের সেই বাধা কাটিয়ে পরশু ১-০ গোলে জিতেছে অ্যাতলেতিকো। তবে হোঁচট খেয়েছে মাদ্রিদেরই সবচেয়ে সফল দল রিয়াল। ভিয়ারিয়ালের মাঠে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও ১-১ সমতায় মাঠ ছাড়ে তারা। মারিয়ানোর গোলে দ্বিতীয় মিনিটে রিয়াল এগিয়ে গেলেও ৭৬ মিনিটে জেরার্দ মোরেনোর পেনাল্টিতে সমতা ফেরায় ভিয়ারিয়াল।

এদিকে সিরি ‘এ’-তে জোড়া গোল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। তাঁর চার মিনিটের জাদুতে ক্যালিয়ারিকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে জুভেন্টাস। বুন্দেসলিগায় ওয়ের্ডার ব্রেমেনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। সব শেষ ৩৫ ম্যাচে মাত্র দ্বিতীয়বার জিততে পারল না বায়ার্ন। এ ছাড়া প্রিমিয়ার লিগে ম্যানসিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে টটেনহাম। আর ওয়েস্ট ব্রোমকে ১-০ গোলে হারানোটা ছিল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এই মৌসুমে প্রথম জয় ম্যানইউর।

ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানোয় আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান, লিওনেল মেসিরা নষ্ট করেছেন একাধিক সুযোগ। উল্টো বিরতির আগে ইনজুরি টাইমে পিছিয়ে পড়ে বার্সা। জেরার্দ পিকের ভুলে হারানো বল পেতে স্টেগেন এগিয়ে এসেছিলেন প্রায় মাঝমাঠে। তাঁকে এড়িয়ে অনেক দূর থেকে ফাঁকা পোস্টে বল পাঠান ইয়ানিক কারাসকো। আট ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে বার্সা এখন ১০ নম্বরে। ১৯৯১-৯২ মৌসুমের পর প্রথম আট ম্যাচ শেষে এটাই সবচেয়ে খারাপ অবস্থান কাতালানদের। পাশাপাশি জেরার্দ পিকে চোট পেয়ে তিন থেকে পাঁচ মাস ছিটকে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে আরো।

সিরি ‘এ’-তে ক্যালিয়ারির বিপক্ষে ৩৮ ও ৪২ মিনিটে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানের সহজ জয় পেয়েছে জুভেন্টাস। তিন ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বক্সের ভেতর ঢুকে প্রথম গোলটি করেছেন এই পর্তুগিজ। দ্বিতীয় গোলটি কর্নার থেকে আসা বলে অসাধারণ এক ভলিতে। সিরি ‘এ’-তে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের সমান ৮ গোল এখন রোনালদোর।

প্রিমিয়ার লিগে টটেনহামের বিপক্ষে গোলে ২২টি শট নিয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি ম্যানচেস্টার সিটির কেউ। টটেনহাম পাঁচটি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল মাত্র দুটি, জালেও জড়িয়েছে সেই দুটি। পঞ্চম মিনিটে সন হিউন মিন ও ৬৫ মিনিটে অন্য গোলটি জিওভানি লো সেলসোর। ইএসপিএন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা