kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

ফুটবল খেলতে গিয়ে চোটে সাইফ উদ্দিন

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফুটবল খেলতে গিয়ে চোটে সাইফ উদ্দিন

ক্রাচে - গতকাল মিরপুরের একাডেমি মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়েই বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েছেন এই অলরাউন্ডার। যা বঙ্গবন্ধু কাপে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর হয়ে তাঁর খেলাই সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিল। প্লেয়ার্স ড্রাফটে প্রথম ডাকেই ‘এ’ ক্যাটাগরির কোনো ক্রিকেটারকে না ডেকে সাইফ উদ্দিনকে নিয়েছিল রাজশাহী। ছবি : কালের কণ্ঠ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এভাবেই ক্রাচে ভর দিয়ে অনেক দিন হাঁটাচলা করতে হয়েছে নাসির হোসেনকেও। সম্প্রতি ফিটনেস পরীক্ষায় উতরাতে না পেরে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ড্রাফটেও নিজের নাম তুলতে ব্যর্থ হওয়া এই ক্রিকেটার ২০১৮ সালে ফুটবল খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পান। করাতে হয় অস্ত্রোপচারও। এ চোটকেই ধরা হয় তাঁর হারিয়ে যাওয়ার কারণ। হারিয়ে না গেলেও গা গরমের ফুটবল খেলতে গিয়ে পাওয়া চোটে ভুগতে হয়েছে এমনকি মুশফিকুর রহিমের মতো খেলোয়াড়কেও। এই ধারায় সব শেষ সংযোজন এবার মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। গতকাল মিরপুরের একাডেমি মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়েই বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েছেন এই অলরাউন্ডার।

 

যা বঙ্গবন্ধু কাপে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর হয়ে তাঁর খেলাই সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিল। প্লেয়ার্স ড্রাফটে প্রথম ডাকেই ‘এ’ ক্যাটাগরির কোনো ক্রিকেটারকে না ডেকে সাইফ উদ্দিনকে নিয়েছিল রাজশাহী। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র এক দিন আগে গা গরমের ফুটবল খেলে ক্রাচে ভর দিয়ে মাঠ থেকে বের হতে হলো তাঁকে। যেভাবে চোট পেয়েছেন, তাঁর সতীর্থ মোহাম্মদ আশরাফুল দিলেন সেই বর্ণনা, ‘ফুটবল খেলতে গিয়ে হালকা লাগল। সে নিজে নিজেই পড়ে গেল। এরপর তো মনে হয় অ্যাংকেলে লাগল।’

সাইফ উদ্দিনের চোট কতটা গুরুতর, তা জানতে আজ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী দলের ম্যানেজার ও জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার হান্নান সরকার, ‘আমাদের ফিজিও এবং বিসিবির মেডিক্যাল টিম ওকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। চিকিৎসা চলবে বিসিবির মেডিক্যাল প্রটোকল অনুযায়ীই। ওর পরবর্তী আপডেট জানা যাবে আগামীকাল।’ তবে এ ঘটনায় অনুশীলনে ফুটবল চর্চা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠে গেল আবার। গা গরম করতে গিয়ে উল্টো চোট ডেকে আনার লাগাতার ঘটনায় মাঝখানে বেশ কড়াকড়িও আরোপ করা হয়েছিল। অবশ্য সেটি ঢিলেঢালা হওয়ার সুযোগ নিয়ে অনুশীলনে ফুটবল ফিরতেও সময় লাগেনি। সতর্ক থেকে এটি খেলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল। তাতেও যে ঝুঁকি এড়ানো যায়নি, সাইফ উদ্দিনই এর প্রমাণ। এই বছরের শুরুতে অধিনায়ক জো রুটের ট্যাকলে গোড়ালির চোট নিয়ে ররি বার্নসের মাঠের বাইরে ছিটকে পড়ার ঘটনায় ইংল্যান্ড দলের অনুশীলনে ফুটবল খেলাই নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন মনে করেন, বাংলাদেশেও এ রকম কিছু করার সময় এসেছে, ‘এটি তো নতুন ঘটনা নয়। ফুটবল খেলতে গিয়ে নিয়মিতই চোটে পড়ছে আমাদের ক্রিকেটাররা। আমার মনে হয় এর একটি বিহিত করা দরকার। সে জন্য আগে টিম ম্যানেজমেন্টের (জাতীয় দলের) সঙ্গে কথা বলতে হবে। তাঁদের মতামত যদি অনুশীলনে ফুটবল নিষিদ্ধ করার পক্ষে হয়, তাহলে সেটিই করা উচিত।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা