kalerkantho

শুক্রবার । ৮ মাঘ ১৪২৭। ২২ জানুয়ারি ২০২১। ৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মেয়েদের লিগ শুরু আবার

৭ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : করোনার কারণে মেয়েদের লিগটা যেখানে বন্ধ হয়েছিল, সেখান থেকে আর শুরু না হলেও বসুন্ধরাকে চোখ বন্ধ করে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা যেত। পাঁচ ম্যাচে পাঁচ জয়। সেটা হতেই পারে। কিন্তু বসুন্ধরার মেয়েরা অন্যদের চেয়ে যে যোজন ব্যবধানে এগিয়ে, তা বোঝা যায় গোলের দিকে তাকালে। পাঁচ ম্যাচে অবিশ্বাস্য ৫১ গোল দলটির। বিপরীতে? সেটিও অবিশ্বাস্য—একটিও নয়।

আসলে অবিশ্বাস্য নয়, এটিই স্বাভাবিক। মেয়েদের সিনিয়র জুনিয়র জাতীয় দলে যত সেরা পারফরমার আছে সবাই যে বসুন্ধরার। সেটি সাবিনা খাতুন থেকে তহুরা খাতুন পর্যন্ত। মাঝখানে মনিকা, মারিয়া, মৌসুমী, সানজিদা, কৃষ্ণারা তো আছেনই। প্রিমিয়ার লিগের অন্য কোনো ক্লাবই দল না গড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বসুন্ধরার ধারে-কাছে নেই নাসরিন স্পোর্টিং, এফসি উত্তরবঙ্গ বা জামালপুরের কাচারিপাড়া একাদশের মেয়েরা। করোনায় খেলা বন্ধ হয়েছে সেই মার্চে। সাত দলের আসরে বসুন্ধরার প্রথম পর্বে ম্যাচ বাকি আর একটি। এফসি উত্তরবঙ্গের বিপক্ষে সেই ম্যাচ দিয়েই সাত মাস পর লিগ আবার শুরু হচ্ছে। এত লম্বা সময় কোনো আসর স্থগিত রাখার নজির নেই বিশ্ব ফুটবলে। বাংলাদেশেই ছেলেদের প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। ডিসেম্বরে শুরু হবে তাদের নতুন মৌসুম। কিন্তু বাংলাদেশে মেয়েদের ফুটবলে সব কিছু যেন আলাদা। এই লিগই তো হচ্ছে ছয় বছর পর।

বসুন্ধরা কিংস দল না গড়লে লিগটা মাঠেই গড়াত কি না কে জানে। করোনার পর তারাই সবার আগে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তিন সপ্তাহের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামছেন সাবিনা, কৃষ্ণারা। লম্বা সময় বিরতির পর মোটেও যথেষ্ট সময় নয় তা। তবে এই মুহূর্তে ফিটনেসে মেয়েদের ঘাটতি নেই বলেই জানিয়েছেন দলটির কোচ মাহমুদা শরিফা। তবে যথেষ্ট প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারার আক্ষেপ তাঁর আছে, ‘আমরা চেয়েছিলাম লিগে মাঠে নামার আগে দুই-তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে নিতে। বিভিন্ন কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। একটি মাত্র ম্যাচ খেলেছি আমরা জামালপুরের কাচারিপাড়া একাদশের বিপক্ষে। আরো দুটি ম্যাচ খেলতে পারলে মেয়েরা শুরু থেকেই ছন্দ নিয়ে খেলতে পারত।’ তবু প্রতিপক্ষ বড় বাধা নয় তিনি জানেন। বসুন্ধরার মেয়েদের লড়াইটা নিজেদের সঙ্গেই, নিজেদের সেরাটা বের করে আনার। তাতে ১৫ গোল করা সাবিনার সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াইটাও তাঁর সতীর্থদের সঙ্গেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা