kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

কাতালানদের হাসি

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কাতালানদের হাসি

ঘরের মাঠে এল ক্লাসিকো হারের পর জুভেন্টাসের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের চ্যালেঞ্জ নেওয়াটা সহজ ছিল না বার্সেলোনার জন্য। তবে তুরিনে পারফরম্যান্স দিয়ে সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন লিওনেল মেসিরা। পেনাল্টি থেকে গোল পেয়েছেন মেসি, লক্ষ্যভেদ করেছেন ওসমান দেম্বেলেও। ২-০ গোলের জয় নিয়েই ফিরেছে কাতালানরা।

জুভেন্টাসের মাঠে আধিপত্য নিয়ে খেলেছে বার্সা। এটা ঠিক যে আন্দ্রেয়া পিয়েরলোর আসল অস্ত্র ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোই ছিলেন না। তবু ৫৯ শতাংশ বলের দখল, প্রতিপক্ষের চেয়ে ২২৭ পাস বেশি খেলা ও নিজেদের পোস্টে একটাও শট নিতে না দেওয়া জয়ের মাধুর্য বাড়িয়েছে। জুভেন্টাস অবশ্য ভাগ্যকেও দুষতে পারে, তিন-তিনবার তারা তো বল জালেই জড়িয়েছে। কিন্তু তিনবারেই অফসাইডে বাতিল হয়েছে তা। নইলে রোনালদোর অনুপস্থিতিতে আলভারো মোরাতার হ্যাটট্রিকই হয়ে যায়! প্রথমার্ধেই দুবার তাঁর গোল বাতিল হয়েছে, দ্বিতীয়ার্ধে আরো একবার। এর মধ্যে দুবারই ভিএআরে এবং যথেষ্ট সুক্ষ্ম ছিল সেই সিদ্ধান্ত। বার্সা শুরু করে দারুণভাবে। একাদশে ফেরা আন্তোনিও গ্রিয়েজমানের শট সাইড পোস্টে লেগে ফিরে আসে তৃতীয় মিনিটেই। দেম্বেলের গোলে ১৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সা। মেসি মাঝমাঠ পার করে লং বল ফেলেছিলেন তাঁকে। ফরাসি উইঙ্গার এরপর গতি ড্রিবলিংয়ে জুভেন্টাস ডিফেন্সকে ত্রস্ত করে ডান পায়ে যে শট নিয়েছিলেন ফেদেরিকো চিসার পায়ে লেগে তা সেজনির মাথার ওপর দিয়ে গিয়ে জড়ায় জালে।

ওপেন প্লেতেই মেসি ব্যবধান বাড়াতে চলেছিলেন এরপর, বক্সের মুখে গ্রিয়েজমানের সঙ্গে দারুণ ওয়ান টু খেলে নেওয়া তাঁর শটটি অবশ্য দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা আনসু ফাতিকে অতিরিক্ত সময় বক্সে ফাউল করা হলে স্পটকিক থেকে ব্যবধান বাড়ান মেসি। এর আগেই দেমিরাল দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখায় ১০ জনের দল হয়ে পড়েছিল জুভেন্টাস। রোনালদোহীন ম্যাচে পাউলো দিবালা লড়বেন মেসির বিপরীতে—এমনটাই ভেবেছিলেন। কিন্তু পুরো ম্যাচে নিষ্প্রভই ছিলেন বিয়াকোনিদের ‘নাম্বার টেন।’ গোলডটকম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা