kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

পেশাদার বক্সিং শুরুর উদ্যোগ

ফিলিপাইনপ্রবাসী পেশাদার বক্সিং ট্রেনার ও প্রমোটার আসাদুজ্জামান দেশে এসে এরই মধ্যে পেশাদার বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন ও একাডেমি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পেশাদার বক্সিং শুরুর উদ্যোগ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রিংয়ের চারপাশে দর্শকের উল্লাস। মাঝখানে দুই বক্সারের ধুন্ধুমার লড়াই। বিশাল অঙ্কের প্রাইজমানি, জিতবেন কে? বাংলাদেশে পেশাদার বক্সিংয়ের এই ছবিটা হয়তো দেখা যাবে অচিরেই। সুর কৃষ্ণ চাকমার পথ ধরে অনেক বক্সারই এখন আগ্রহী হয়ে উঠেছেন পেশাদার হতে। শুধু তা-ই নয়, তাঁদের জন্য দেশেই পেশাদার বক্সিংয়ের প্ল্যাটফর্মও তৈরি হচ্ছে। ফিলিপাইনপ্রবাসী পেশাদার বক্সিং ট্রেনার ও প্রমোটার আসাদুজ্জামান দেশে এসে এরই মধ্যে পেশাদার বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন ও একাডেমি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।

পেশাদার সার্কিটে ঢুকতে আগ্রহী এমন ১৬ জন বক্সার তাঁর অধীনে অনুশীলনও শুরু করেছেন। আগামী মাসেই একটি ‘ফাইট’ আয়োজনের পরিকল্পনা আছে আসাদুজ্জামানের। দেশের অসচ্ছল বক্সারদের জন্য এই উদ্যোগ নতুন আশার আলো দেখাবে বলে তাঁর বিশ্বাস, ‘বাংলাদেশে অনেক প্রতিভা সুযোগের অভাবে ঝরে যাচ্ছে। অ্যামেচার বক্সিংয়ের পাশাপাশি দেশে পেশাদার বক্সিংটাও শুরু হলে ওদের সামনে ভবিষ্যতের একটা রাস্তা খুলে যাবে।’

আসাদুজ্জামান নিজে ভাগ্যান্বেষণে আরব আমিরাতে পাড়ি জমিয়ে সেখানে একটি বক্সিং জিমে কাজ শুরু করেন তরুণ বয়সে। সেখানে থাকতেই ট্রেনার কোর্স করেন তিনি। পরে ফিলিপাইনে পাড়ি জমিয়ে ‘এএফ’ নামে নিজেই একটি জিম প্রতিষ্ঠা করেন। নাম লেখান বক্সিং প্রমোটার হিসেবেও। অনেক ইভেন্টের সঙ্গে যুক্ত হন। সর্বশেষ চীনভিত্তিক পেশাদার বক্সিংয়ের সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড বক্সিং বাডিস ইউনিয়ন’-এর চেয়ারম্যানও হয়েছেন। তিনিই এখন ঢাকায় কাজ শুরু করেছেন দেশের পেশাদার বক্সিংকে সংগঠিত করতে। আলী জ্যাকোর হাত ধরে পেশাদার জগতে নাম লেখানো সুর কৃষ্ণ চাকমাও তাঁর অধীনে নতুন করে অনুশীলন শুরু করেছেন। সুর আশাবাদী এতে করে দেশেই পেশাদারদের সুযোগ হবে বলে, ‘সারা বিশ্বেই পেশাদার বক্সিংটা জনপ্রিয়। আমরাই শুরু করতে পারলাম না। খুব করে চাই উনার এই উদ্যোগটা যেন সফল হয়। আমাদের দেশের বক্সারদের জন্য কয়েকটি বাহিনীতে চাকরি ছাড়া তো আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। পেশাদার জগত্টা তাদের সামনে থাকলে অনেক নতুন বক্সার উঠে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।’

বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম অবশ্য এখনই অত দূর দেখতে রাজি নন, ‘আসাদুজ্জামান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁর প্রফাইল, যা কিছু করতে চাচ্ছেন তাতে যদি কোনো সন্দেহ না থাকে তবে বক্সিংয়ের স্বার্থে আমরাও তাঁকে সহযোগিতা করব। তবে আমাদের আরো যাচাই করতে হবে।’

একজন সিদ্দিকুর রহমান পেশাদার জগতে গিয়ে দেশের গলফের চেহারাটাই বদলে দিয়েছেন। দেশে এখন পেশাদার গলফার্স অ্যাসোসিয়েশন হয়েছে। সারা বিশ্বে পেশাদার বক্সিংয়ের চাকচিক্য থেকে বক্সাররাও আর দূরে থাকতে চান না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা