kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

শীর্ষে ফিরতে আরো দুই মাস আর্চারদের

এই মুহূর্তে ক্যাম্পে রোমানের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৩৯। চার মাস অনুশীলনের বাইরে থাকার পর ফিরে দুই মাসে এই স্কোরকে উন্নতিই বলা হচ্ছে। তবে সেরা যে নয়, তা তো স্পষ্ট। এই সেরায় ফিরতে রোমানদের আরো অন্তত মাস দুয়েক লাগবে মনে করছেন কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক।

২৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শীর্ষে ফিরতে আরো দুই মাস আর্চারদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : দক্ষিণ এশীয় গেমসে ৩৪৭ স্কোর করে সোনা জিতেছিলেন রোমান সানা। এই মুহূর্তে ক্যাম্পে তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর ৩৩৯। চার মাস অনুশীলনের বাইরে থাকার পর ফিরে দুই মাসে এই স্কোরকে উন্নতিই বলা হচ্ছে। তবে সেরা যে নয়, তা তো স্পষ্ট। এই সেরায় ফিরতে রোমানদের আরো অন্তত মাস দুয়েক লাগবে মনে করছেন কোচ মার্টিন ফ্রেডরিক। রোমানের নিজেরও তা-ই মত।

‘চার মাস অনুশীলনের বাইরে থাকার ঘাটতিটা পুষিয়ে নিতে মনে হচ্ছে ওই রকম সময়ই লাগবে। দুই মাসে আমাদের জড়তা কেটে গেছে। আমরা আবার আগের মতোই শ্যুট করছি। তবে স্কোরের দিক দিয়ে দেখতে গেলে সেরায় ফিরতে এখনো আরো সময় লাগবে। আমার নিজের কাছে মনে হয় ৭০ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে এর মধ্যে। এখন স্কোর বাড়ানোর কাজ করছি।’ টঙ্গীর আর্চারি ক্যাম্প থেকে ফোনে বলছিলেন রোমান সানা। গত আগস্টের মাঝামাঝি ক্যাম্পে ফিরে করোনা পরীক্ষা ও আইসোলেশন শেষে ওই মাসের শেষ নাগাদ পুরোদমে অনুশীলনে ফেরেন এই আর্চার। সেই থেকে তাঁরা টানা অনুশীলনের মধ্যেই। এই সময়ে আর্চারদের উন্নতি নিয়ে মার্টিন ফ্রেডরিখ বলছিলেন, ‘আর্চারদের উন্নতি প্রত্যাশিত মতোই। সবাই তো এক রকম উন্নতি করছে না। কেউ হয়তো অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, কারো উন্নতি কিছুটা ধীরগতিতে, এটা প্রত্যাশিতই। আমার আশা আগামী ডিসেম্বর নাগাদ ওরা ওদের সেরায় ফিরতে পারবে।’ ডিসেম্বরে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপেরও পরিকল্পনা করে রেখেছে ফেডারেশন। তার মানে রোমানরা তখন নিজেদের প্রত্যাশিত ফর্ম নিয়েই অংশ নিতে পারবেন ওই প্রতিযোগিতায়। ফ্রেডরিকও অপেক্ষা করছেন তার জন্য, ‘এই মুহূর্তে প্রস্তুতির গতি ঠিক আছে। প্রতিযোগিতাটাই শুধু আমরা মিস করছি। ডিসেম্বরে সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপটা যদি হয়, তখনই আমি ওদের পারফরম্যান্সের স্পষ্ট ছবিটা পেয়ে যাব। এবং অলিম্পিক প্রস্তুতির পরের ধাপে যেতে পারব আমরা।’ ডিসেম্বরের ওই প্রতিযোগিতা শেষেই আর্চারদের কিছুদিনের বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা জার্মান কোচের।

সেই পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন ক্যাম্প করার মানসিক প্রস্তুতিও আছে আর্চারদের। রোমান যেমন বলছিলেন, ‘লম্বা সময় আমরা বাড়িতে কাটিয়ে এসেছি। তাই ছুটির কথা এখনই ভাবছি না। আর সব সময় অনুশীলনের মধ্যে থেকে আমরা অভ্যস্ত।’ এই মুহূর্তে রামকৃষ্ণ, বিউটি রায়সহ পূজার ছুটিতে আছেন কয়েকজন আর্চার। ফিরে আবারও তাঁদের করোনা পরীক্ষা করিয়েই অনুশীলনে যোগ দেওয়ার কথা। আগের ফর্ম ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েরা কিছুটা এগিয়ে বলছিলেন ফ্রেডরিখ, তবে তারও কারণ আছে, ‘ছেলেরা করোনার আগে নিজেদের অবস্থানটাকে এতটা উঁচুতে নিয়ে গিয়েছিল যে সেই অবস্থানটায় আবার ফিরতে সময় লাগবেই। তুলনায় মেয়েরা ওদের লক্ষ্যের অনেকটাই কাছাকাছি এখন। কারণ ওদের স্কোরটাও সেই পর্যায়ে ছিল না।’ তবে সবাই-ই শেষ পর্যন্ত করোনার ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠেছেন, এটাই আশার কথা। আর কোনো বাধা না এলে এখান থেকে শুধু এগিয়ে যাওয়ার পালা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা