kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

কোয়ারেন্টিনেও অনুশীলন করবে নেপাল

তাদের যেন দীর্ঘ সময় কোয়ারেন্টিনে থাকতে না হয়, তার জন্য এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তাদের চাওয়া সর্বোচ্চ পাঁচ দিন কোয়ারেন্টিনের।

২৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোয়ারেন্টিনেও অনুশীলন করবে নেপাল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : আগামী ৫ নভেম্বর ঢাকায় আসার কথা নেপাল দলের। তাদের যেন দীর্ঘ সময় কোয়ারেন্টিনে থাকতে না হয়, তার জন্য এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তাদের চাওয়া সর্বোচ্চ পাঁচ দিন কোয়ারেন্টিনের। আর এই কোয়ারেন্টিন সময়ের মধ্যেই জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থেকে অনুশীলনও করবে নেপাল।

১৩ ও ১৭ নভেম্বরের প্রীতি ম্যাচ দুটির জন্য কাল আন্ত মন্ত্রণালয় সভা শেষে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম জানিয়েছেন, ‘আমরা সংক্ষিপ্ত কোয়ারেন্টিনের আবেদন করেছি। সেটা চার-পাঁচ দিনের যেন বেশি না হয়। আর তা নেপাল দল এবং আমাদের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ যারা বাইরে থেকে আসবে সবার জন্যই। এই সময়ের মধ্যে হোটেল ও মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে ওদের অনুশীলনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। তা ছাড়া আসলে ওরা আসতে রাজি নয়।’ জেমি ডে-সহ বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফের ঢাকায় আসার কথা ২৯ অক্টোবর। কোচরাও কোয়ারেন্টিন সময়ে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মাঠে আসতে পারবেন, তবে তাঁরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিশতে পারবেন কোয়ারেন্টিন শেষ করে। সভায় ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামে সীমিতসংখ্যক দর্শক উপস্থিতির কথাও বলা হয়েছে। বাফুফে চাইছে ধারণক্ষমতার এক-তৃতীয়াংশ দর্শক মাঠে আনতে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সেই হিসাবে ৮-৯ হাজার দর্শকের মাঠে প্রবেশের সুযোগ থাকবে। প্রতি গ্যালারিতে দুই-আড়াই হাজার করে। কোনো গ্যালারিতেই এখন চেয়ার নেই। সে ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বসার জায়গা চিহ্নিত করে দেওয়ার কথা। আর সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক এবং স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানিয়েছেন আবু নাঈম। ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে অবশ্য এসব প্রস্তাবনা অনুমোদনের ব্যাপার আছে। তা ছাড়া বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ফ্লাড লাইটের আলোর পরিমাণ বাড়ানোর ব্যাপারেও ক্রীড়া পরিষদকে অনুরোধ করে রেখেছে বাফুফে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা