kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

ন্যু ক্যাম্পে রিয়াল রোমাঞ্চ

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ন্যু ক্যাম্পে রিয়াল রোমাঞ্চ

একসময়ের ক্লাব ফুটবলের রাজপ্রাসাদ নাকি মিশে যাচ্ছে ধুলোয়! মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকো মাঠে গড়াতেই উড়ে গেল সব শঙ্কা। চাপে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ গোল করল পঞ্চম মিনিটে। জবাব দিতে বার্সেলোনা সময় নিয়েছে মাত্র তিন মিনিট। আনসু ফাতি নামের নতুন যুবরাজ ফেরালেন সমতা। এরপর আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ, টেকনিক, ট্যাকটিকসে পাল্লা দেওয়া, গোল মিসের মহড়া, ভিএআর বিতর্ক, পেনাল্টি আর শেষ হাসি রিয়াল মাদ্রিদের। ৩-১ গোলে বার্সাকে হারিয়ে চাপের পাহাড়টাও কাটাল জিনেদিন জিদানের দল। একটি করে গোল ফেদ ভালভার্দে, সের্হিয়ো রামোস ও লুকা মদরিচের। বার্সার হয়ে লক্ষ্যভেদ করেছিলেন আনসু ফাতি।

ন্যু ক্যাম্পে কোচ হিসেবে কখনো হারেননি জিনেদিন জিদান। সেই আত্মবিশ্বাসেই ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হিসেবে এল ক্লাসিকোর চেয়ে বড় আর কী হতে পারে।’ সেটা করেও দেখাল তাঁর দল। কাদিজ, শাখতারের কাছে হারের ধাক্কাটা কাটাল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে। শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই যে রিয়ালের ডিএনএ’তে প্রমাণ হলো আরেকবার।

রিয়ালকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ফেদ ভালভার্দে। নাচোর কাছ থেকে বল পেয়ে করিম বেনজিমা দেন তাঁকে। ডি বক্সের ভেতরে ঢুকে নেওয়া জোরালো শটে কিছু করার ছিল না নেতোর। তিন মিনিট পরই লিওনেল মেসির বাড়ানো বল অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে বাঁ প্রান্তে নিয়ন্ত্রণে নেন ইয়োর্দি আলবা। তাঁর নিচু ক্রসে পা ছুঁইয়ে নতুন ইতিহাস ১৭ বছরের আনসু ফাতির। এল ক্লাসিকোয় সবচেয়ে কম বয়সে গোল করার কীর্তিটা এখন তাঁর। ১৯ বছর ২৩৩ দিনে আগের রেকর্ডটা ছিল রিয়ালের ভিনিসিয়াস জুনিয়রের। এটা ক্লাসিকোয় বার্সার ৪০০তম গোলও।

ফাতির পাসে ২৪ মিনিটে গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়াকে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি মেসি। এর কিছুক্ষণ পরই নেতোকে একা পেয়ে অবিশ্বাস্য মিস করিম বেনজিমার। ৫১ মিনিটে মেসির পাসে অল্পের জন্য ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারেননি গিনি বিসাউ বংশোদ্ভূত ফাতি। ৫৪ মিনিটে ফাতির ক্রসেই ফাঁকায় থাকা ফিলিপে কৌতিনিয়ো মিস করেন দারুণ আরেকটি সুযোগ। ৬৩ মিনিটে সের্হিয়ো রামোসের বিতর্কিত পেনাল্টিতে এগিয়ে যায় রিয়াল। কর্নার নেওয়ার সময় ক্লেমন্ত লেংলে জার্সি টেনে রামোসকে ফেলে দিলে ভিএআরে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত এটাই।

৮৬ মিনিটে ব্যবধান ৩-১ করার তিন তিনটি সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। গোলরক্ষককে একা পেয়েও দুইবার মিস করেন টনি ক্রুস, আরেকবার সের্হিয়ো রামোস। তবে ৯০তম মিনিটে আর মিস করেননি লুকা মদরিচ। গোলরক্ষককে কাটিয়ে করা তাঁর গোলে রোমাঞ্চকর জয় রিয়ালের। ইএসপিএন

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা