kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

ফিটনেস ফেরানোর লড়াই শুরু

জাতীয় দলের ম্যাচের আগে তাঁদের ফিটনেস নিয়ে আসলে কাজের দরকার পড়ে না কখনোই। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। করোনার কারণে সবাই খেলার বাইরে। নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের দিন বিশেক আগে শুরু ক্যাম্পে তাই শুরু হয়েছে ফুটবলারদের ফিটনেস ফেরানোর চ্যালেঞ্জ।

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিটনেস ফেরানোর লড়াই শুরু

ক্রীড়া প্রতিবেদক : কোথাওই জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের খুব বেশিদিন পান না কোচ। খেলোয়াড়রা ক্লাবের অধীনেই থাকেন সারা বছর। জাতীয় দলের ম্যাচের আগে তাঁদের ফিটনেস নিয়ে আসলে কাজের দরকার পড়ে না কখনোই। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। করোনার কারণে সবাই খেলার বাইরে। নেপালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের দিন বিশেক আগে শুরু ক্যাম্পে তাই শুরু হয়েছে ফুটবলারদের ফিটনেস ফেরানোর চ্যালেঞ্জ।

অবস্থা এমনই যে টিম ম্যানেজমেন্টকে কুপার টেস্ট নিতে হয়েছে ফুটবলারদের বর্তমান অবস্থা জানতে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে কাল সকালে সেই পরীক্ষা উতরাতে গিয়ে ফুটবলারদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ১২ মিনিটের দৌড়ে কেউই খুব ভালো করতে পারেননি। সহকারী কোচ মাসুদ কায়সার জানিয়েছেন, তেমনটা প্রত্যাশাও করেননি তিনি, ‘সাত মাস খেলার বাইরে থাকা ফুটবলারদের ফিটনেস যেমন ধারণা করেছিলাম আমরা আসলে তা-ই আছে। কুপার টেস্টে সবার ফল গড়পড়তা। ওদের নিয়েই এখন আমাদের কঠিন চ্যালেঞ্জ ম্যাচ ফিটনেস ফেরানোর। আগামী এক সপ্তাহ আমরা শুধু ফিটনেস নিয়েই কাজ করব।’

গড়পড়তা পারফরম্যান্সের মধ্যেও সাইফ স্পোর্টিংয়ের লেফট ব্যাক রহমত মিয়া, আবাহনীর স্ট্রাইকার সাদ উদ্দিন, চট্টগ্রাম আবাহনীর মনজুরুর মানিককে আলাদা করা গেছে। ১২ মিনিট একই ছন্দে দৌড়াতে পেরেছেন তাঁরা। আবাহনী ডিফেন্ডার রায়হান হাসানকে মিনিট চারেক পরই দেখা গেছে বসে পড়তে। মোট ১৫ জন খেলোয়াড় যোগ দিয়েছেন প্রথম দিনের অনুশীলনে। বসুন্ধরা কিংসের ১২ খেলোয়াড় ক্যাম্পে উঠবেন ২৭ অক্টোবর। তাঁদের ফিটনেস নিয়ে ফেডারেশনকে এরই মধ্যে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে ম্যাচের তিন দিন আগে যোগ দিয়েও তাঁরা শতভাগ দিয়ে খেলতে পারবেন। ডিসেম্বরে মৌসুম শুরুর ঘোষণা থাকলেও অন্য ক্লাবগুলো যেখানে হাত গুটিয়ে বসে, সেখানে বসুন্ধরার ফুটবলাররা অনুশীলনে গত প্রায় দেড় মাস থেকেই। এএফসি কাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই টুর্নামেন্ট বাতিল হয়ে যাওয়ার পরও ক্যাম্প বন্ধ করেনি বসুন্ধরা কিংস।

জাতীয় দলের এই অনুশীলন ক্যাম্প হয়ে গেছে কিছু ক্লাবের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির জায়গা। অর্থাৎ নিজেরা ফুটবলারদের জন্য কন্ডিশনিং ক্যাম্পের ব্যবস্থা না করেও জাতীয় ক্যাম্পের সুবিধা নিতে পারবে। তবে ফুটবলারদের এখন নেপাল ম্যাচের প্রস্তুতির চ্যালেঞ্জ। গত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর সর্বশেষ এসএ গেমসেও দলটির কাছে হারতে হয়েছে জেমির শিষ্যদের। এবার প্রীতি ম্যাচ থেকে কিছু পাওয়ার চেষ্টা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা