kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

সম্প্রচার চুক্তি নিয়ে ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’

২২ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সম্প্রচার চুক্তি নিয়ে ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ‘বিড’ করার সময় বাড়িয়েও যখন জাতীয় দলের টাইটেল স্পন্সর হতে আগ্রহী কোনো প্রতিষ্ঠানের সাড়া মিলছিল না, তখনই কভিডের ধাক্কায় আর সব কিছুর মতো থমকে গিয়েছিল এই প্রক্রিয়াও। তবে শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সফরের সম্ভাবনায় আবার তা সচল হতে শুরু করেছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানাচ্ছেন, ‘শুরুতে আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল আমরা সিরিজ বাই সিরিজ যাব। যেমন—আমরা শ্রীলঙ্কা সফরে জাতীয় দলের স্পন্সরশিপের জন্য দরপত্র আহ্বানও করেছিলাম। একটি প্রতিষ্ঠানকে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেছেও নেওয়া হয়েছিল।’

কিন্তু সেই সফর স্থগিত হয়ে যাওয়ায় পরিকল্পনায় বদলও এনেছে দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট প্রশাসন। এবার ঠিক করেছে, আবার দীর্ঘ মেয়াদে জাতীয় দলের টাইটেল স্পন্সর খোঁজা হবে। সেই সঙ্গে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিক্রি করা হবে সম্প্রচার স্বত্বও। গাজী টিভির সঙ্গে চার বছর মেয়াদি সেই চুক্তি শেষ হয়েছে বেশ আগেই। মহামারির কারণে এটি নিয়েও এত দিন অগ্রসর হওয়া যায়নি। এখন দেশে ক্রিকেট শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে অন্যান্য প্রক্রিয়াও গতিশীল করার উদ্যোগ আছে। তবে মাঠে নেমে পড়ার আগে এখন কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষাও আছে বিসিবির। নিজাম উদ্দিন জানালেন তেমনই, ‘আমরা আসলে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে চাই।’

অবস্থা বোঝার জন্য বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির পরবর্তী সভার অপেক্ষায় বিসিবি। যেটি হওয়ার কথা নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। ক্রিকেট কোন পথে এগোবে, আসছে সভা থেকে সে বিষয়ে নিশ্চিত ধারণা পাওয়ার আশা বিসিবির, ‘আমরা তো প্রস্তুতি নিয়েই রেখেছি। ওদিকে আবার কিছু বিষয় ঝুলেও আছে। আইসিসির আসন্ন সভায় সেসব নিয়ে আলোচনাও হবে।’ আলোচনায় কোনো কিছু চূড়ান্ত না হোক, অন্তত দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে বলে আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে।

নিজাম উদ্দিন বলছিলেন, ‘সম্প্রচার স্বত্ব এবং জাতীয় দলের স্পন্সরশিপ, দুটো নিয়েই কাজ এগিয়ে রেখেছি আমরা। ওদিকে আবার আইসিসির এফটিপিতেও (ফিউচার ট্যুরস প্রগ্রাম) কিছু ওলটপালট হতে পারে। সেসব নিয়ে যখন একটি রূপরেখা পাওয়া যাবে, তখনই আমরা দরপত্র আহ্বান প্রক্রিয়ায় যেতে পারব।’ অনেক সিরিজ পুনর্নির্ধারণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয়ও হতে যাচ্ছে আইসিসির পরের সভার আলোচ্য, ‘ক্রিকেট কোন পথে যাবে, তা আমরা পরের সভায় অনেকটা বুঝতে পারব। যেমন—আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল কি জুনেই (২০২১ সালের) হবে নাকি আরো পিছিয়ে যাবে? না আবার নতুন করে সব কিছু শুরু হবে? এ রকম অনেক বিষয়ই আছে, যেগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্প্রচার চুক্তি এবং জাতীয় দলের টাইটেল স্পন্সরশিপের বিষয় জড়িত। আসন্ন সভায় সব কিছুই চূড়ান্ত হয়তো হবে না। তবে একটি গাইডলাইন নিশ্চিতভাবেই পাওয়া যাবে।’

তা পাওয়া গেলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এগোতে পারবে বিসিবি। তবে বাস্তব কারণেই এবারের পরিকল্পনা আগের মতো দীর্ঘমেয়াদি হবে না, ‘এফটিপি তো চূড়ান্ত করা আছে ২০২৩ সাল পর্যন্ত। এরপর কোথায় কোন খেলা আছে, তা তো আমরা জানি না। তাই এখন আমরা চুক্তি করলেও সর্বোচ্চ ২০২৩ সাল পর্যন্ত করতে পারব।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা