kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বাফুফের ‘বন্ধ দুয়ার’ খোলার অঙ্গীকার

২ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাফুফের ‘বন্ধ দুয়ার’ খোলার অঙ্গীকার

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ফুটবলের নির্বাচনের বাকি ২৪ ঘণ্টা। এমন সময়ই সমন্বয় পরিষদ ইশতেহারের ডালি নিয়ে হাজির। যথারীতি ফুটবলকে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই প্যানেলের প্রার্থীরা। সঙ্গে প্রার্থীদের মুখে ফুটবল ফেডারেশনের ‘বন্ধ দুয়ার’ খুলে দেওয়ার নতুন অঙ্গীকারের কথাও শোনা গেছে।

সভাপতিহীন সমন্বয় পরিষদের প্যানেলের নেতা শেখ মোহাম্মদ আসলাম সিনিয়র সহসভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। সালাম মুর্শেদীকে চ্যালেঞ্জ জানানো বাফুফের বর্তমান কমিটির এই সদস্য ১৩৯ জন ভোটারের ওপর বিশ্বাস রেখে বলেছেন, ‘এই প্যানেল জেলা, বিভাগ ও ক্লাবের সংগঠকদের নিয়ে গঠিত হয়েছে, যাঁরা ফুটবলের পরীক্ষিত সৈনিক। আমি তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার বিশ্বাস, তাঁদের পক্ষেই কাউন্সিলররা সুচিন্তিত রায় দেবেন।’

বাফুফে কমিটির আয়তন ২১ সদস্যের হলেও সভাপতির পাশাপাশি একটি সহসভাপতি পদেও তারা কোনো প্রার্থী দেয়নি। রাজধানীর এক হোটেলে বাকি ১৯ প্রার্থীকে তারা পরিচয় করিয়ে দিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেছে। এর আগে স্বাগত বক্তব্য দিয়েছেন সহসভাপতি প্রার্থী শেখ মারুফ হাসান।

ইশতেহারে সাফ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন আছে। আছে জেলা-বিভাগসহ পেশাদার ফুটবল লিগকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ঐতিহ্যবাহী শের-ই-বাংলা কাপ ও সোহরাওয়ার্দী কাপ ফিরিয়ে আনা এবং বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ ও শেখ কামাল গোল্ড কাপের পরম্পরা ধরে রাখা হবে। কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদের মতো তাঁরাও বলেছেন স্টেডিয়াম ও জিমনেসিয়াম নির্মাণের কথা। সভাপতি পদে প্রার্থী নেই কেন—প্রশ্নের জবাবে সহসভাপতি প্রার্থী মহিউদ্দিন মহি বলেছেন, ‘১৯ জনের বাইরে আমাদের কোনো প্রার্থী নেই। আমরা সংগরিষ্ঠ থাকলে বাফুফের কোনো সিদ্ধান্ত আমাদের বাইরে রেখে হওয়া সম্ভব নয়। বাফুফের সভাপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নয়।’

এ ছাড়া ফুটবল ফেডারেশনে স্বচ্ছতা আনা ও ফুটবলের বন্ধ দুয়ার খুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে সমন্বয় পরিষদ। এ প্রসঙ্গে মহিউদ্দিন বলেছেন, ‘ফেডারেশনের আয়-ব্যয়ের হিসাবে স্বচ্ছতার জন্য সবই অনলাইনে তুলে দেওয়া হবে। এ ছাড়া বাফুফেতে ঢোকার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না। জেলার লোকজন এলে ঢুকতে দেন না বাফুফে স্টাফরা। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ হোসেন মুনকে পর্যন্ত ফেডারেশনে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমরা গেলে দোতলার ওই ব্যারিকেড তুলে দেওয়া হবে, এটাকে সারা দেশের ফুটবলের সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

মন্তব্য