kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সিহি থেকে শারজা

► প্রথম ২৩ বলে ১৭
► শেষ ৮ বলে ৩৬ রান

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিহি থেকে শারজা

হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলার ছোট্ট গ্রাম সিহি। সেখানেই জন্ম রাহুল তেওয়াটিয়ার। তাঁর কৃষক দাদার ইচ্ছা ছিল নাতি ‘পালোয়ান’ হবে। হকি খেলোয়াড় চাচা ধরমবীর ভাতিজাকে নিতে চেয়েছিলেন হকির টার্ফে। কিন্তু রাহুলকে টানত ক্রিকেট। ছেলের শখ মেটাতেই বাবা কৃষাণ পাল আট বছর বয়সী তেওয়াটিয়াকে ফরিদাবাদে ভর্তি করান সাবেক উইকেটরক্ষক বিজয় পালের একাডেমিতে। অল্প পরিশ্রমে কাতর হওয়া রাহুলকে নিয়ে পরিবারের লোকজন বিজয় পালের কাছে অনুরোধ জানান, ‘স্যার, একে খেলান। আমাদের গ্রামের সম্মানের প্রশ্ন।’

সিহির সেই রাহুল শারজায় রেখেছেন গ্রামের সম্মান। পাঞ্জাবের ২২৩ রানের জবাবে প্রমোশন পেয়ে ২৭ বছরের তেওয়াটিয়া প্রথম ১৯ বলে করেছিলেন ৮। খলনায়ক থেকে নায়ক হয়ে যান শেলডন কটরেলের ১৮তম ওভারে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে! ৩১ বলের ৫৩-তে রাজস্থানকে ৪ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় এনে দেন তিনি, যা আইপিএল ইতিহাসেই সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড।

২০১৪ সালে হরিয়ানার হয়ে অনূর্ধ্ব-২২ দলের এক ম্যাচে রাহুল তেওয়াটিয়ার ৯০ রানের ইনিংসে মুগ্ধ হয়েছিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়। তখন রাজস্থানের কোচ থাকা দ্রাবিড় নিজের দলে সুযোগ দেন তাঁকে। তবে অভিষেকে ৩ আর পরের বছর একটি ম্যাচই খেলার সুযোগ হয়েছিল তেওয়াটিয়ার। ২০১৭ সালে পাঞ্জাবের হয়ে ৩ ম্যাচে করেন মাত্র ১৯ রান, আর লেগ স্পিনে উইকেট ৩টি। তেওয়াটিয়াকে অবিশ্বাস্যভাবে ২০১৮ সালে তিন কোটি রুপিতে কিনে নেয় দিল্লি। আট ম্যাচে মাত্র ৫০ রান আর ৬ উইকেটে হতাশ করেন আবারও। পরশু নিজের সামর্থ্যের পুরোটা দিলেন উজাড় করে। ক্রিকবাজ

মন্তব্য