kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রাইফেল হাতে পাচ্ছেন শ্যুটাররা

আব্দুল্লাহেল বাকী, রিসালাতুল ইসলামরা তাঁদের নিজেদের রাইফেল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন এরই মধ্যে। রিসালাত তা নিয়ে আজই রেঞ্জে নেমে যাচ্ছেন, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর অন্য তিন শ্যুটার তা হাতে পাচ্ছেন আগামীকাল।

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্রীড়া প্রতিবেদক : কর্মকর্তাদের দ্বন্দ্বে অথবা স্রেফ খামখেয়ালিতে ক্যারিয়ার নষ্ট হতে চলেছিল শ্যুটারদের। এখন তা বলাই যায়। কারণ যে জটিলতার কারণে নিজেদের অভ্যস্ত রাইফেলের বদলে অন্য রাইফেল দিয়ে অনুশীলন করতে বাধ্য হচ্ছিলেন শ্যুটাররা, তা মেটানো যায় কয়েক দিনেই। নতুন সভাপতি দায়িত্ব নিয়ে তা-ই দেখালেন। আব্দুল্লাহেল বাকী, রিসালাতুল ইসলামরা তাঁদের নিজেদের রাইফেল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন এরই মধ্যে। রিসালাত তা নিয়ে আজই রেঞ্জে নেমে যাচ্ছেন, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর অন্য তিন শ্যুটার তা হাতে পাচ্ছেন আগামীকাল।

অ্যাডহক কমিটি ঘোষণার পর শ্যুটিংয়ের নতুন সভাপতি দায়িত্ব নিয়েই বলেছিলেন, বাকীদের রাইফেলের সমস্যা কয়েক দিনেই মিটে যাবে। সেটিই হয়েছে। গত পরশুই বিমানবন্দর কাস্টমসে যোগাযোগ করে অলিম্পিক ক্যাম্পে থাকা চার শ্যুটারের রাইফেল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে ফেডারেশন। মহাসচিব ইন্তেখাবুল হামিদ জানিয়েছেন, ‘অলিম্পিক ক্যাম্পে থাকা যে চার শ্যুটারের রাইফেল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা এখন আর নেই। তারা তাদের রাইফেল নিয়ে এখন অনুশীলন করতে পারবে। তবে এগুলো নিয়ে এখনই বাইরে যাওয়া যাবে না। আর অন্য যে কয়টি রাইফেল নিয়ে সমস্যা আছে, সে ব্যাপারেও আমরা আশ্বাস পেয়েছি যে খুব শিগগিরই এটা মিটে যাবে।’ ২০১৭ সালে জার্মানি থেকে রাইফেল আনায় শুল্ক পরিশোধ করা হয়নি—এমন অভিযোগে ১০ শ্যুটারকে শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরের জেরার মুখে পড়তে হয়েছিল। তখনই তাঁদের ওই রাইফেলগুলো ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। অলিম্পিক ক্যাম্পে থাকা ছয় শ্যুটারের চারজন বাকী, রিসালাত, শাকিল আহমেদ (পিস্তল শ্যুটার) ও আতকিয়া হাসান তাতে করে ক্যাম্পে ফিরেও অনুশীলনে নামতে পারছিলেন না, বাধ্য হয়ে অন্য রাইফেল নতুন করে আয়ত্ত করতে যাচ্ছিলেন তাঁরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা