kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সুপার কাপও বায়ার্নের

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুপার কাপও বায়ার্নের

শুরু আর শেষে এত মিল! ২০১২-১৩ মৌসুমে বায়ার্নে যোগ দিয়েই ট্রেবল জিতেছিলেন জাভি মার্তিনেস। সেবার সুপার কাপের ফাইনালের নায়ক এই স্প্যানিয়ার্ড। চেলসির বিপক্ষে ১২০তম মিনিটে গোল করে ম্যাচে আনেন ২-২ সমতা, এরপর টাইব্রেকারে বাজিমাত বায়ার্নের। পরশু বুদাপেস্টে সেভিয়ার বিপক্ষে ফাইনালেও নায়ক মার্তিনেস। পুরনো ক্লাব বিলবাওয়ে ফেরার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে হয়তো শেষ ম্যাচটি খেললেন তিনি। ১-১ সমতার পর সুপার কাপ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। তখন বদলি হয়ে নেমে তৃতীয় মিনিটেই গোল মার্তিনেসের। ২-১ ব্যবধানে জিতে মৌসুমের চতুর্থ মর্যাদার শিরোপা ঘরে তুলল বায়ার্ন।

এই শিরোপায় সেরা বিদায়ি উপহারটাই পেলেন ৩২ বছরের মার্তিনেস। সুপার কাপ রাঙাতে পেরে খুশি তিনি নিজেও, ‘যখনই বায়ার্নের জার্সিতে নেমেছি, নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বুদাপেস্টে সেটা আরো একবার করতে পেরে খুশি আমি।’ বুন্দেসলিগা, জার্মান কাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগের পর হান্সি ফ্লিকের দল মৌসুমে জিতল চতুর্থ শিরোপা। জার্মান সুপার কাপ জিতলে সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াবে পাঁচে। দলের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বাসে ভাসছেন ফ্লিক, ‘শালকেকে ৮ গোলে হারানোর পরও আমরা ছন্দে ছিলাম না। শুরুতে গোল হজম করে ফেলেছিলাম। তবু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাল ছাড়েনি কেউ। যোগ্য দল হয়েই জিতেছি আমরা।’ সব মিলিয়ে টানা ৩২ ম্যাচ অপরাজিত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। গত ৭ ডিসেম্বর বরুশিয়া মুনশেনগ্লাডবাখের কাছে হারার পর বায়ার্ন জিতেছে ৩১টিতে, ড্র অপর ম্যাচে, টানা জয় ২৩টিতে।

কদিন আগে বার্সেলোনা থেকে সেভিয়ায় আসা মিডফিল্ডার ইভান রাকিতিচকে ডি বক্সে দাভিদ আলাবা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় সেভিয়া। ১৩ মিনিটে লুকাস ওকাম্পোসের স্পটকিকে এগিয়ে যায় স্প্যানিশ দলটি। ৩৪ মিনিটে রবার্ত লেভানদোস্কির কাছ থেকে ডি বক্সে বল পেয়ে সমতা ফেরান লিয়ন গোরেত্স্কা। ৩৬ মিনিটে লুক ডি ইয়ং বল জালে জড়ালেও অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় গোল পায়নি সেভিয়া। ৫১ মিনিটে লেভানদোস্কির গোল বাতিল হয় ভিএআরে। ৮৮ মিনিটে মানুয়েল নয়ারকে একা পেয়ে যান ইউসেফ এন নেসাইরি। তাঁর নিচু শট ঝাঁঁপিয়ে ঠেকান নয়ার। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে  ১-১ সমতা থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এরপর ১০৪তম মিনিটে জাভি মার্তিনেসের সেই ম্যাচ জেতানো গোল। দাভিদ আলাবার শট গোলরক্ষক ফেরালেও ফিরতি বল হেডে জালে জড়ান এই স্প্যানিয়ার্ড। ম্যাচ শেষে হারটা মানতেই পারছেন না সেভিয়ার ক্রোয়েশিয়ান তারকা ইভান রাকিতিচ, ‘নয়ার ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। শেষ দিকে অবিশ্বাস্য দুটি সেভ করেছে ও।’

বুদাপেস্টের এই ম্যাচে ২০ হাজার দর্শকের গ্যালারিতে আসার অনুমতি দিয়েছিল উয়েফা। তবে জার্মানি ও স্পেনের দুই সরকারই করোনা ছড়ানোর শঙ্কায় সতর্ক করে দেয় দর্শকদের। এর পরও গ্যালারিতে ছিল প্রায় ২০ হাজার দর্শকই। তাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করলেন বায়ার্ন কোচ হান্সি ফ্লিক, ‘আমরা সবাই জানি, এখন সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াটা কঠিন। দর্শক মাঠে আসায় ফুটবলের আসল পরিবেশটা ফিরেছে। আশা করছি সবাই সুস্থতা নিয়েই বাড়ি ফিরবেন।’ ইএসপিএন

মন্তব্য