kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সেই ভারতেই বিদায় ডিন জোন্সের

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই ভারতেই বিদায় ডিন জোন্সের

এভাবেও চলে যাওয়া যায়! কলকাতা-মুম্বাই ম্যাচের কমেন্ট্রি করেছেন গত পরশু রাতে। সকালে নাশতা শেষে অংশ নিয়েছিলেন গতকালের ম্যাচের ‘ব্রিফিং সেশনে’ও। এরপর মুম্বাইয়ের সাত তারকা হোটেলের জৈব সুরক্ষিত বলয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন ডিন জোন্স। সবাইকে হতবাক করে সেখানেই লুটিয়ে পড়েন বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়ান এই তারকা ও জনপ্রিয় ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার। অ্যাম্বুল্যান্সে করে নেওয়া হয় পাশের হরকিষান দাস হাসপাতালে। ডাক্তাররা জানিয়ে দেন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে পথেই মারা গেছেন জোন্স।

ভারতের মাটিতে ‘টাই’ হওয়া ১৯৮৬ সালের চেন্নাই টেস্টে ২১০ রানের অমর ইনিংস খেলেছিলেন জোন্স। এখানে জিতেছেন ১৯৮৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেই দেশেই ৫৯ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল জীবনের ইনিংস। খেলোয়াড়ি জীবনে ব্যাটিং সৌন্দর্যে আর ধারাভাষ্যে কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ করেছিলেন কোটি ক্রিকেট ভক্তকে। অপ্রত্যাশিতভাবে থেমে গেল সেই কণ্ঠস্বর।

১৯৯৪ সালে অবসরের পর কোচিং ও ধারাভাষ্যে সুনাম অর্জন করেন ডিন জোন্স। ভারতের এনডিটিভিতে তাঁর ‘প্রফ ডিনো’ নামের অনুষ্ঠান ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কা-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টে হাশিম আমলাকে মজা করেই বলেছিলেন, ‘ওকে উগ্রপন্থীর মতো লাগছে।’ সম্প্রচারকারী চ্যানেল টেন স্পোর্টস বরখাস্ত করে জোন্সকে। পরে ক্ষমা চেয়ে ধারাভাষ্য প্যানেলে ফিরলেও তাঁর মূল কাজ মাঠের বদলে ছিল স্টুডিওতে। মাঝে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দল চিটাগং কিংসের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবেও কিছুদিন কাজ করেছেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবনে ১৯৮৬ সালে চেন্নাই টেস্টে প্রচণ্ড গরমে বমি করেছেন একাধিকবার, গলায় ভেজা টাওয়েল জড়িয়ে খেলেছিলেন ২১০ রানের অসাধারণ ইনিংস। পানিশূন্যতায় সেই ইনিংস খেলার পথে প্রায় সাড়ে সাত পাউন্ড ওজন কমে গিয়েছিল জোন্সের! টেস্ট টাই হওয়ার পর তাই যেতে হয় হাসপাতালে। তাঁর অকালমৃত্যুতে শোক জানিয়ে টুইট করেছেন ভিভ রিচার্ডস, শচীন টেন্ডুলকার, টম মুডি, বিরাট কোহলিসহ ক্রিকেটের অনেক তারকা। পিটিআই

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা