kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মঞ্চে বসুন্ধরা

ধাপে ধাপে উন্নতির লক্ষ্য ইমরুলের

ফুটবলকে সারা দেশের খেলায় পরিণত করতে হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে লিগ এবং অন্যান্য ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডগুলো নিশ্চিত করতে হবে। সবার আন্তরিক সাহায্য-সহযোগিতা পেলে জেলাগুলো হয়ে উঠবে ফুটবলের আঁতুরঘর।

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ধাপে ধাপে উন্নতির লক্ষ্য ইমরুলের

গত ছয় বছরের বেশ কিছু টুর্নামেন্টের পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়নি এত দিন। গতকাল সাড়ম্বরে পুরস্কারগুলো তুলে দেওয়া হয়েছে বিজয়ীদের হাতে। বসুন্ধরা কিংসের প্রধান ইমরুল হাসানও নিয়েছেন তাঁর বিজয়ী ক্লাবের ট্রফিটি। ছবি : সৌজন্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বসুন্ধরা কিংস আজ পরাশক্তি, কিন্তু এই ক্লাব নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি বুঝেছেন ফুটবলে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। বুঝেছেন, সামগ্রিক ফুটবলের রং বদল না হলে কিংসের সর্বজয়ী রূপের গুণগ্রাহীও কমে আসবে। এসব উপলব্ধিই ইমরুল হাসানকে নিয়ে গেছে ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে। সহসভাপতি প্রার্থী হয়ে বসুন্ধরা কিংস সভাপতি বলছেন, ‘ফুটবলের চেয়ে বড় বিনোদন হয় না। আমাদের ফুটবলকেও ওই জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।’

সালাউদ্দিন-আসলাম-সালাম-বাদলদের খেলা দেখেই কেটেছে তাঁর ছেলেবেলা। কিন্তু বড়বেলায় এসে সেই ফুটবলানন্দের ঘাটতি এমনই যে চারদিকে উঠেছে ‘গেল গেল’ রব। এমন প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এই সহসভাপতি প্রার্থী নতুন দিনের স্বপ্ন দেখেন, ‘ফুটবলকে সারা দেশের খেলায় পরিণত করতে হবে। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে লিগ এবং অন্যান্য ফুটবলীয় কর্মকাণ্ডগুলো নিশ্চিত করতে হবে। জেলার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব আগে, এর সঙ্গে ফুটবল ফেডারেশনের আন্তরিক সাহায্য-সহযোগিতা যোগ হলে জেলাগুলো হয়ে উঠবে ফুটবলের আঁতুরঘর। যারা খুব ভালো কাজ করবে তাদের জন্য অ্যাওয়ার্ড থাকতে পারে প্রতিবছর।’ ৬৪ জেলা থেকে বছরে একজন করে ফুটবলার উঠে এলেও ঢাকায় আর ফুটবলারের সংকট থাকে না। আসলে ঢাকার সঙ্গে জেলা ফুটবলের তাল কেটেছে অনেক দিন। সেই তাল-ছন্দ ফিরলে পরেই দেশের ফুটবল আবার সুরেলা হয়ে উঠবে।

জেলার ফুটবলারদের ঢাকায় খেলার ক্ষেত্রটাও ইমরুল হাসান নিরবচ্ছিন্ন করতে চান, ‘ওই ফুটবলারদের খেলার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয় বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ও প্রথম বিভাগের লিগ অবশ্যই নিয়মিত করতে হবে আমাদের।’ পাশাপাশি বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি জোর দিচ্ছেন দেশের শীর্ষ লিগের পরিকাঠামো সংস্কারের, ‘মৌসুম ও লিগের সময় নির্দিষ্ট করা খুব জরুরি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দলবদল করতে হবে। ক্লাব চালানোর কারণে আমি বুঝি, লিগের সময় নির্দিষ্ট না থাকলে ক্লাবগুলোকে খুব ভুগতে হয়। মোদ্দাকথা, প্রিমিয়ার লিগটাকে সত্যিকার অর্থেই পেশাদার করে তুলতে চাই আমরা।’ ফুটবল উন্নয়নের জন্য সম্মিলিত পরিষদ ঘোষণা করেছে বিশাল ইশতেহার। চার বছরে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশকে ১৮৭ থেকে ১৫০-এ নামিয়ে আনার কথা বলা হলেও ইমরুল হাসান চান ধাপে ধাপে উন্নতি। ফুটবল উত্তরণের প্রথম ধাপে তিনি রাখছেন সাফ শিরোপাকে, ‘আগে দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের পরাশক্তির জায়গায় ফিরতে চাই। সাফে বাংলাদেশ ফাইনাল খেলছে, শিরোপা জিতছে—এ রকম দেখলেই বোঝা যাবে আমরা সঠিক পথে আছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা