kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সালাউদ্দিনের লক্ষ্য র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সালাউদ্দিনের লক্ষ্য র‌্যাংকিংয়ে উন্নতি

ক্রীড়া প্রতিবেদক : চতুর্থ মেয়াদে বাফুফে নির্বাচনের আগে আরেক দফা ফুটবল উন্নয়নের ইশতেহার ঘোষণা করেছেন কাজী সালাউদ্দিন। সর্বশেষ ইশতেহারের ৭০-৭৫ শতাংশ পূরণ করতে পেরেছেন দাবি করে নতুন করে আরো ৩৬ দফা যুক্ত করেছেন তিনি। তাতে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের উন্নতি, সাফ-এসএ গেমস শিরোপা পুনরুদ্ধার, ঘরোয়া বর্ষপঞ্জি বাস্তবায়নসহ যা যা উল্লেখ করা হয়েছে তা পূরণ হলে ফুটবলের নবজাগরণ হবে।

জাতীয় ফুটবল দল, ঘরোয়া ফুটবল, মহিলা ফুটবল, উন্নয়ন প্রকল্প ও টেকনিক্যাল—এই পাঁচটি ভাগে ফুটবল উন্নয়নের রূপরেখা ঘোষণা করেছে সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ। জাতীয় ফুটবল দলের র‌্যাংকিং নিয়ে গত কয়েক বছরে সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে বাফুফেকে। সেই র‌্যাংকিংই ১৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে আসার লক্ষ্য এবার সালাউদ্দিনের। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সর্বশেষ শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ ২০০৩ সালে আর এসএ গেমসের সর্বশেষ সোনা ২০১০-এ। দক্ষিণ এশীয় ফুটবলের সেই শ্রেষ্ঠত্বই আবার ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ড কাপও প্রতিবছর আয়োজনের কথা। ঘরোয়া ফুটবলের ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট সময়ে খেলা আয়োজন ও তা শেষ করার দিকে। প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগসহ সব ঘরোয়া প্রতিযোগিতা নিয়মিত করার প্রতিশ্রুতি থাকছে, আবারও জোর দেওয়া হয়েছে জেলা লিগের ওপর। জাতীয় পর্যায়ে সিনিয়র ও যুব চ্যাম্পিয়নশিপের পাশাপাশি নতুন করে অনূর্ধ্ব-১০ জুনিয়র ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ হবে।

মেয়েদের র‌্যাংকিং ৯০-এর কাছাকাছি নিয়ে আসার লক্ষ্য। মেয়েদের ফুটবলেও সুনির্দিষ্ট বর্ষপঞ্জি তৈরির কথা বলা হয়েছে। ছেলেদের মতোই মেয়েদের সাফেও শিরোপা জয়ের প্রতিশ্রুতি থাকছে। উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে আছে আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল স্টেডিয়ামের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ ঢাকার বাইরে বাফুফে টেকনিক্যাল সেন্টার স্থাপন, যেখানে সারা বছর প্রশিক্ষণ সুবিধা থাকবে ফুটবলারদের। এর পাশাপাশি আধুনিক একটি জিমনেসিয়াম করা হবে। ফুটবলের নিজস্ব একটি জিমনেসিয়ামের দাবি অবশ্য দীর্ঘদিনের। টেকনিক্যাল নিয়ে যেসব কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টসহ তৃণমূল পর্যায়ের সব ধরনের টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করে তাদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, বাফুফে ভবনে ‘ওমেন্স এলিট ট্রেনিং প্রগ্রাম’ ও ‘বাফুফে-ফর্টিজ ফুটবল একাডেমি’র কার্যক্রম চলমান রাখার পাশাপাশি লাইসেন্সধারী কোচদের কাজের পরিধি বাড়ানো এবং সারা দেশের একাডেমিগুলোকে সহযোগিতা করে। কাজী সালাউদ্দিন খোলামেলা কথা বলেছেন তাঁর আগের ১২ বছরের মেয়াদ এবং নতুন ইশতেহার নিয়ে। ইশতেহারে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি কিছু রাখা হয়নি বলেই তাঁর দাবি, ‘আমরা গত তিন মাস গবেষণা করে এই ইশতেহারটা দিয়েছি। আমরা কী কাজ করছি, সেখান থেকে আরো কী করা সম্ভব তা-ই এখানে বলা হয়েছে।’ সর্বশেষ ইশতেহারের সব কিছু পূরণ করতে না পারা নিয়েও নিজের দায় দেখেন না তিনি, ‘ইশতেহারটি কিন্তু আমি ঘোষণা করিনি। যেদিন ওটা ঘোষণা করা হয়, আমি ছিলামও না। তখন যিনি প্যানেলের সমন্বয়ক ছিলেন, সেই তরফদার রুহুল আমিনই তাঁর মতো করে অনেক কিছু ওর মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন।’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা