kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কিংসে এবার ইরানি ডিফেন্ডার

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিংসে এবার ইরানি ডিফেন্ডার

ক্রীড়া প্রতিবেদক : একদা নাসের হেজাজি, ভিজেন তাহিরি, নালজেগাররা মন কেড়ে নিয়েছিলেন এ দেশের ফুটবলপ্রেমীদের। এরপর আর কোনো ইরানি ফুটবলারকে বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে দেখা যায়নি। পুরনো দিনের ফুটবলের অনেক রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনা বসুন্ধরা কিংস এবার সেই ইরানি ফুটবলারও নিয়ে আসছে বাংলাদেশ লিগে। কাল ইরানের শীর্ষ লিগে খেলা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার খালেদ শাফিইকে নিশ্চিত করেছে তারা। এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে ২০টির মতো ম্যাচ খেলা ৬ ফুট উচ্চতার ৩৩ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার সামনের মাসেই ঢাকায় আসছেন।

বাঁ পায়ের লেফট সেন্টার ব্যাক খালেদ নতুন মৌসুম শুরুর আগে বসুন্ধরার তৃতীয় নতুন বিদেশি খেলোয়াড়। হার্নান বারকোস তো আছেনই, কিছুদিন আগেই তাঁর সঙ্গে যোগ হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান দুই মিডফিল্ডার। খালেদকে এশিয়ান কোটায় আনছে বসুন্ধরা। আর এর মাধ্যমে মৌসুম শুরুর দুই মাসেরও বেশি সময় আগে চার বিদেশির কোটা পূর্ণ করে ফেলল তারা। কাল খালেদ শাফিইকে নিশ্চিত করার খবর দিয়ে ক্লাব সভাপতি ইমরুল হাসান বলছিলেন, ‘ওর সঙ্গে কথাবার্তা আমরা প্রায় চূড়ান্ত করে রেখেছিলাম। অপেক্ষা করছিলাম লিগে বিদেশি কোটা কী হয় সেটা জানার জন্য। চার বিদেশি নিশ্চিত হওয়ার পরই ওর সঙ্গে আমরা চুক্তির বিষয়টি পাকা করে ফেলেছি। সে আসছে।’ গত (নিজেদের প্রথম) মৌসুমে বসুন্ধরা আক্রমণে ভয়ংকর হলেও ডিফেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল। বাতিল হয়ে যাওয়া লিগে দেশসেরা দুই সেন্টারব্যাককে দলে ভিড়িয়েও তারা পুরো স্বস্তিতে ছিল না। ইমরুল হাসান বলছিলেন, ‘আমরা ইরান ও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডারকে বিবেচনায় রেখেছিলাম। শেষ পর্যন্ত কোচের পছন্দ এবং অন্য সব কিছু মিলিয়ে খালেদকেই চূড়ান্ত করেছি। আশা করি ওর উপস্থিতি ডিফেন্সে আমাদের নির্ভরতা বাড়াবে।’

আবাহনীসহ অন্য ক্লাবগুলো বিদেশি কোটা পূরণের ভাবনায় আছে। সেখানে মৌসুমের জন্য চার বিদেশিকেই চূড়ান্ত করে ফেলেছে বসুন্ধরা কিংস। এটা ঠিক, এএফসি কাপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা। কিন্তু আসরটি বাতিল হয়ে যাওয়ার পরও এশিয়ান কোটার ফুটবলার চূড়ান্ত করে ফেলা দলটি নতুন মৌসুমকে ঘিরে ‘সিরিয়াসনেস’ স্পষ্ট করছে। ব্রাজিলিয়ান রোবিনহো ও জোনাথন ফার্নান্দেজের মতোই খালেদ শাফিইর সঙ্গেও এক বছরের চুক্তি করা হয়েছে। শাফিই গত মৌসুমে খেলেছেন পার্সিয়ান গালফ প্রো লিগের (ইরানের শীর্ষ লিগ) দল সেপাহানে। তার আগের বছর ছিলেন প্রো লিগের জব আহানে। ২০১৭-১৮-তে প্রথম ইরানি ফুটবলার হিসেবে খেলেছেন তিনি কে লিগের দল এফসি সিউলে। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বেশি, ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত খেলেছেন তিনি ইরানিয়ান শীর্ষ লিগেরই ত্রাক্তর এসসিতে। লিগ রানার্স-আপ হয় তাঁর দল। ত্রাক্তরের হয়ে ১৪টি এবং এরপর জোব আহানের হয়ে ছয়টি ম্যাচ খেলা হয়েছে তাঁর এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা