kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

আবার অসুস্থতার কথা বললেন বাদল রায়

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবার অসুস্থতার কথা বললেন বাদল রায়

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষণা নবায়ন করতে বাদল রায় আবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কথা। গতকাল তাঁর প্রিয় মোহামেডান ক্লাব চত্বরে বসে সাবেক ফুটবল তারকা বলেছেন, ‘কোনো চাপ নেই। কিন্তু শরীরটা ভালো নেই বলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’ 

বাফুফে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গত ১২ সেপ্টেম্বর। সেদিন স্ত্রীর মাধ্যমে সভাপতি পদে তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠি পাঠালেও তা কার্যকর হয়নি। নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা দেরিতে চিঠি জমা পড়ায় নির্বাচন কমিশন বাদল রায়কে বৈধ প্রার্থীর ঘোষণা দিয়েছে। ব্যালটেও থাকবে তাঁর নাম। কিন্তু তাঁর দাবি, ‘আমার স্ত্রী তাড়াহুড়া করে প্রত্যাহারপত্র নিয়ে বাফুফে ভবনে এলেও সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। তাতে কিছু আইনি সমস্যা হয়ে গেছে। আমার নাম ব্যালটে উঠে গেছে। বাস্তবতা হলো, আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়।’ এরপর যোগ করেন, ‘ফুটবলের স্বার্থে  নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ফুটবলের স্বার্থ দেখতে গিয়ে আমার শরীরের ওপর বেশ চাপ পড়ছে। মহান সৃষ্টিকর্তায় কৃপায় করোনামুক্ত হলেও এখন শরীর খুব দুর্বল।’ আগে থেকেই তাঁর শরীর খারাপ। ২০১৭ সালে ব্রেন স্ট্রোকের পর তিনি ফিরে এসেছেন মৃত্যুর দুয়ার থেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগী হয়ে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়ে তাঁকে চিকিৎসা করান। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর অশেষ কৃতজ্ঞতা, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে নতুন জীবন দিয়েছেন। এ জন্য ওনাকে আমি মমতাময়ী মা বলি।’

নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা দেরিতে চিঠি জমা পড়ায় নির্বাচন কমিশন বাদল রায়কে বৈধ প্রার্থীর ঘোষণা দিয়েছে। ব্যালটেও থাকবে তাঁর নাম। কিন্তু তাঁর দাবি, ‘আমার স্ত্রী তাড়াহুড়া করে প্রত্যাহারপত্র নিয়ে বাফুফে ভবনে এলেও সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। তাতে কিছু আইনি সমস্যা হয়ে গেছে। আমার নাম ব্যালটে উঠে গেছে। বাস্তবতা হলো, আমার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়।’ এরপর যোগ করেন, ‘ফুটবলের স্বার্থে  নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ফুটবলের স্বার্থ দেখতে গিয়ে আমার শরীরের ওপর বেশ চাপ পড়ছে।’

তিনি সরে দাঁড়ানোর কথা বললেও বৈধ প্রার্থী হিসেবে তাঁর বাক্সে ভোট পড়তে পারে। আছেন অন্য দুই প্রার্থী কাজী সালাউদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম মানিক। তাঁদের কাউকে সমর্থনের ঘোষণা না দিয়ে বলেছেন নিজের কষ্টের কথা, ‘আমি শুধু চাই ফুটবল ভালো থাকুক। সামনে নির্বাচন, ফুটবলের কী হবে জানি না। সারা দেশের কাউন্সিলর, ডেলিগেটরাই ফুটবলের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। তৃণমূলের সংগঠকরা আমাকে খুব ভালোবাসত। তাদের জানাতেই এসেছি, আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও একেবারে ফুটবল ছাড়ার সুযোগ নেই। ক্যাসিনো-পরবর্তী সময়ে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানের সংস্কারের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছেন। কাজ করছেন সাদা-কালোর ঐতিহ্য ফেরাতে। আগামী ৩ অক্টোবরের নির্বাচনে বাদল রায়ের প্রত্যাশা, ‘ফুটবল ফেডারেশনে একটা শক্তিশালী কমিটি দায়িত্বে আসুক, যারা সত্যিকারভাবে ফুটবলের জন্য কাজ করবে। এ রকম প্রার্থীদেরই ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাই। আমার কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে আপনারা ক্ষমা করবেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা