kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

লিপজিগের বিস্ময়

১৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লিপজিগের বিস্ময়

ফুটবল আঙিনায় পথচলার শুরু ২০০৯ সালে। ঘরোয়া লিগের একেকটা ধাপ পেরিয়ে বুন্দেসলিগায় লিপজিগ জায়গা করে নেয় ২০১৬ সালে। স্বপ্নের পথচলায় প্রথমবার নকআউটে পা রেখেই জার্মান ক্লাবটি এখন চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে, ক্লাব গঠনের মাত্র ১১ বছরের মধ্যে! অপার বিস্ময় ছাড়া আর কী? অন্যতম ফেভারিট অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে গতিময় ফুটবলে ২-১ গোলে হারিয়েছে জুলিয়ান নাগেলসমানের দল। সবচেয়ে কম বয়সী কোচ হিসেবে কীর্তিটা গড়ায় উচ্ছ্বাসে ভাসছেন ৩৩ বছরের নাগেলসমান, ‘মনে হয় আমিই অন্যতম সুখী কোচের একজন।’

আঁটসাঁট রক্ষণের জন্য বরাবরই বিখ্যাত অ্যাতলেতিকো। কোয়ার্টার ফাইনালটাও ডিয়েগো সিমিওনের দল খেলছিল রক্ষণকে দুর্গ বানিয়ে। ৫০ মিনিটে ভাঙে অ্যাতলেতিকোর প্রতিরোধ। মার্সেল সাবিতজের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ৫০ মিনিটে লিপজিগকে এগিয়ে নেন দানি ওলমো। এর পরই ১২৬ মিলিয়ন ইউরোয় কেনা ফরোয়ার্ড জোয়াও ফেলিক্সকে নামান সিমিওনে। গতি ফেরে অ্যাতলেতিকোর আক্রমণে। ৭১ মিনিটে পেনাল্টি আদায় করেন ফেলিক্সই। ডি বক্সে এই পর্তুগিজকে ফাউল করেছিলেন লুকাস ক্লোস্টারম্যান। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান ফেলিক্স।

১-১ সমতার পর মনে হচ্ছিল ম্যাচ গড়াচ্ছে অতিরিক্ত সময়ে। কিন্তু ম্যাচ শেষের দুই মিনিট আগে অ্যাতলেতিকোর বুক ভাঙেন টেইলর অ্যাডামস। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর জোরালো শট লাগে স্তেফান সাভিচের পায়ে। দিক বদলে বল জড়ায় জালে। সিমিওনে অভিনন্দন জানালেন জার্মান ক্লাবটিকে, ‘লম্বা এই মৌসুমে চাপ ছিল অনেক। লিপজিগ যোগ্য দল হিসেবে ভালো খেলেই জিতেছে। তবে আমাদের মৌসুমটা খারাপ যায়নি। লা লিগায় তৃতীয় হয়েছি, চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনাল খেললাম।’

সেমিফাইনালে লিপজিগ খেলবে পিএসজির বিপক্ষে। ১২ বছর আগে অগসবুর্গে নাগেলসমানের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল পিএসজির বর্তমান কোচ টুখেলের অধীনে। হফেনহেইমের কোচ হওয়ার পর ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ডর্টমুন্ডের টুখেলের কাছে দুটি হার আরেক ম্যাচে ড্র করেছিলেন নাগেলসমান। এবার তাঁর অগ্নিপরীক্ষা তারায় ঠাসা পিএসজির বিপক্ষে। এএফপি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা